নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসের পরও দিল্লিতে বিক্ষোভের উত্তাপ

নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসের পরও দিল্লিতে বিক্ষোভের উত্তাপ

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় চলমান গণআন্দোলন আরও জোরালো রূপ নিয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অপসারণের দাবিতে অনড় রয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। বৃহস্পতিবারও দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়ে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখেন। বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় চলমান

গণআন্দোলন আরও জোরালো রূপ নিয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অপসারণের দাবিতে অনড় রয়েছেন

বিক্ষোভকারীরা। বৃহস্পতিবারও দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় হাজার হাজার মানুষ সমবেত

হয়ে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখেন।

বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বার্তার মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদি

জানান, ‘দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ ও কল্যাণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু হতে পারে না।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার

ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে কার্যকর

পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের ইতোমধ্যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী

হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা যারা করেছে, তাদের কাউকেই

ছাড় দেওয়া হবে না।’

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর পরই লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী তীব্র

পাল্টা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ তোলেন যে, খোদ

প্রধানমন্ত্রী দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের সুযোগ তৈরি করেছেন এবং দায়ীদের সুরক্ষা

দিচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের তিনটি প্রধান দাবি পুনরায় উত্থাপন করেন—

শিক্ষামন্ত্রীর বরখাস্ত, শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং আন্দোলনরতদের ওপর

হামলার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।

এদিকে মোদির এই আশ্বাসের মুখেও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) শিক্ষামন্ত্রীর

পদত্যাগের দাবি থেকে সরে আসেনি। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ প্রধানমন্ত্রীর

সমালোচনা করে মন্তব্য করেন, শিক্ষামন্ত্রীকে সরানোর চেয়ে দিল্লি অচল করে রাখতেই

সরকার বেশি উৎসাহী। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে

তিনি দাবি করেন, গত এক মাস ধরে চলমান শান্তিপূর্ণ আন্দোলন নস্যাৎ করতে বিজেপি

পরিকল্পিতভাবে বহিরাগতদের দিয়ে উসকানি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। এর আগে বুধবার শেষ

রাতে যন্তর মন্তর এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষের

ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাসের

শেল ব্যবহার করে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংঘর্ষের সময় এসিপি পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাসহ

অন্তত ছয়জন পুলিশ সদস্য জখম হয়েছেন। অন্যদিকে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের বিরুদ্ধে

মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলেছেন। সংঘাতময় পরিস্থিতি পার করে বৃহস্পতিবার

সকাল থেকে আবারও যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীরা জড়ো হতে শুরু করেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর

পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যান। সংবাদসূত্র: দ্য হিন্দু।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos