জেলার কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ শনিবার বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট আংশিক খুলে পানি নিষ্কাশনের প্রস্তুতি নিয়েছে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। উজান ও ভাটির পানি ব্যবস্থাপনা এবং সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক
জেলার কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ শনিবার বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি
জলকপাট আংশিক খুলে পানি নিষ্কাশনের প্রস্তুতি নিয়েছে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন
কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
উজান ও ভাটির পানি ব্যবস্থাপনা এবং সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের
ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই
তথ্য জানানো হয় ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় কাপ্তাই লেকের পানির
উচ্চতা ছিল ১০৩ দশমিক ৯১ ফুট এমএসএল। লেকের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট
এমএসএল। সাম্প্রতিক ভারি বৃষ্টিপাতে ক্যাচমেন্ট এলাকায় পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায়
লেকের পানি দ্রুত বাড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে আগামী শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টার পর যেকোনো সময় স্পিলওয়ের ১৬টি
গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে পানি নিষ্কাশন শুরু করা হতে পারে। প্রাথমিকভাবে এতে প্রায় ৯
হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হবে।
এ বিষয়ে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ
হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘লেকের পানির উচ্চতা, উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ (ইনফ্লো)
এবং বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতির
পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে স্পিলওয়ে খোলার সময় এগিয়ে বা পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। একই
সঙ্গে ইনফ্লো আরও বৃদ্ধি পেলে পর্যায়ক্রমে গেট আরও বেশি খুলে পানি নিষ্কাশনের
পরিমাণ বাড়ানো হবে।’
তিনি আরও জানান, বর্তমানে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে।
এসব ইউনিটের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩২ হাজার
কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।
এদিকে স্পিলওয়ে খোলার সম্ভাব্য ঘোষণায় কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের
বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরিস্থিতি অনুযায়ী
পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বিউবো।











