‘বাবা হত্যার প্রতিশোধ নেবই’

‘বাবা হত্যার প্রতিশোধ নেবই’

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, ‘তার বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ পূর্বসূরিদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া ‘‘অবশ্যম্ভাবী’’।’ গত বৃহস্পতিবার বাবার দাফন সম্পন্ন হওয়ার দুই দিন পর এটিই তার প্রথম বার্তা। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মোজতবা খামেনির বার্তাটি শুক্রবারের স্বাক্ষরিত। শনিবার সেটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে। লিখিত বার্তায়

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, ‘তার বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ পূর্বসূরিদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া ‘‘অবশ্যম্ভাবী’’।’ গত

বৃহস্পতিবার বাবার দাফন সম্পন্ন হওয়ার দুই দিন পর এটিই তার প্রথম বার্তা। বার্তা

সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মোজতবা খামেনির বার্তাটি শুক্রবারের

স্বাক্ষরিত। শনিবার সেটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে।

লিখিত বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, ‘এই প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা কেবল আমার বা আমাদের

প্রশাসনের নয়, এটি আমাদের ইরানি জাতির দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ইচ্ছা এবং এই প্রতিশোধ

অবশ্যম্ভাবীভাবে বাস্তবায়িত হবে। বাবা হত্যার প্রতিশোধ নেবই।’

মোজতবা খামেনি আরও বলেন, ‘এই অবশ্যম্ভাবী বিষয়টি কেবল আমার ব্যক্তিগত অস্তিত্ব

কিংবা সরকারের অন্য কোনো শীর্ষ কর্মকর্তার উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে না। আমরা বেঁচে

থাকি আর না থাকি, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত প্রতিশোধ একদিন নেওয়া হবেই।’

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিনে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত

হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। মৃত্যুর প্রায় চার মাস পর গত বৃহস্পতিবার মাশহাদের

পবিত্র ইমাম রেজা মাজারে তাকে দাফন করা হয়।

এদিকে বাবার জানাজায় অনুপস্থিতি ছিলেন মোজতবা খামেনি। বিষয়টি দেশজুড়ে নানা গুঞ্জন ও

জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছিল। বিশেষ করে বাবার মৃত্যুর পর মোজতবা খামেনির বর্তমান

শারীরিক অবস্থা এবং তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মহলে গভীর

উদ্বেগ ও কৌতূহল তৈরি হয়।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের ইমাম

খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত আলী খামেনির জানাজার দ্বিতীয় দিনে রাষ্ট্রীয়

টেলিভিশনে তার তিন ছেলে—মোস্তফা, মেয়সাম এবং মাসুদকে নামাজের অগ্রভাগে দেখা যায়। এই

বিশেষ জানাজায় ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার

মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং দেশটির শীর্ষস্থানীয় সামরিক কমান্ডাররাও উপস্থিত ছিলেন।

তবে চলতি বছরের মার্চে বাবার স্থলাভিষিক্ত ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা

খামেনিকে এই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় জমায়েতে কোথাও দেখা যায়নি, যা একাধিক

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। তবে অবশেষে বাবার

দাফনের দুই দিন পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রতিশোধের

অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন মোজতবা খামেনি।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos