সরিষাবাড়ীতে ব্রিজ নির্মাণের দুই বছর পর সংযোগ সড়ক, জনমনে স্বস্তি

সরিষাবাড়ীতে ব্রিজ নির্মাণের দুই বছর পর সংযোগ সড়ক, জনমনে স্বস্তি

অবশেষে দুই পাশে সংযোগ সড়ক হলো জামালপুরের সরিষাবাড়ীর ঘুইঞ্চার চরের কোটি টাকার ব্রিজে। নির্মাণের ২ বছরেও রাস্তা না থাকায় ব্রিজটি কোনো কাজেই আসছিল না চরাঞ্চলের মানুষের। ফলে ব্রিজ হলেও দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে পোহাতে হতো নানা দুর্ভোগ ও ভোগান্তি। বর্তমানে ব্রিজের দুইপাশে সংযোগ সড়ক হওয়ায় খুশি এ চরাঞ্চলের মানুষ। জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘গ্রামীণ

অবশেষে দুই পাশে সংযোগ সড়ক হলো জামালপুরের সরিষাবাড়ীর ঘুইঞ্চার চরের কোটি টাকার

ব্রিজে। নির্মাণের ২ বছরেও রাস্তা না থাকায় ব্রিজটি কোনো কাজেই আসছিল না চরাঞ্চলের

মানুষের। ফলে ব্রিজ হলেও দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে পোহাতে হতো নানা দুর্ভোগ ও ভোগান্তি।

বর্তমানে ব্রিজের দুইপাশে সংযোগ সড়ক হওয়ায় খুশি এ চরাঞ্চলের মানুষ।

জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘গ্রামীণ রাস্তায় সেতু কালভার্ট

নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উপজেলার আওনা ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চল

ঘুইঞ্চার চরে যমুনা নদীর শাখা অংশের উপর ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৫ মিটার

দৈর্ঘ্যের গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের ২ বছর হলেও দুই পাশে কোনো সংযোগ

সড়ক না থাকার কারণে স্থানীয়দের কোনো কাজেই আসছিল না ব্রিজটি। ফলে চলাচলে নানা

দুর্ভোগ ও ভোগান্তি পোহাতে হতো। বিশেষ করে কৃষিপণ্য সরবরাহ ও স্কুল কলেজগামী

শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। এ ছাড়া বন্যা মৌসুমে গামছা পড়ে নদী সাঁতরে

পার হতে হতো বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

বিষয়টি জানার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার

শামিম এমপির নির্দেশনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন

কর্মকর্তা শওকত জামিলের তত্ত্বাবধানে ব্রিজের দুই পাশে করা হয় ১ হাজার ৮০০ ফুট

সংযোগ সড়ক। ফলে দীর্ঘদিনের চলাচলের চরম ভোগান্তি ও দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেল

স্থানীয়রা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর সরেজমিনে তদন্ত করে

এমপি মহোদয়ের সাথে কথা বলে রাস্তা করে দেওয়া হয়। এখন মানুষ ওই ব্রিজ দিয়ে চলাচল

করতে পারে।’

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos