তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত রাজনৈতিক ড্রামা ‘জন নায়গন’ অবশেষে ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) থেকে প্রদর্শনের অনুমতি লাভ করেছে। তবে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য সিনেমাটিতে অন্তত ১২টি সুনির্দিষ্ট পরিবর্তন আনতে হয়েছে। সংশোধনগুলোর পর সিবিএফসি ছবিটিকে ‘এ’ বা শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রদর্শনের উপযোগী হিসেবে সনদ প্রদান করেছে। গত বৃহস্পতিবার
তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত রাজনৈতিক
ড্রামা ‘জন নায়গন’ অবশেষে ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি)
থেকে প্রদর্শনের অনুমতি লাভ করেছে। তবে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য
সিনেমাটিতে অন্তত ১২টি সুনির্দিষ্ট পরিবর্তন আনতে হয়েছে।
সংশোধনগুলোর পর সিবিএফসি ছবিটিকে ‘এ’ বা শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রদর্শনের
উপযোগী হিসেবে সনদ প্রদান করেছে। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রকাশিত সেন্সর সনদ
অনুযায়ী, সিনেমাটির মোট দৈর্ঘ্য ৩ ঘণ্টা ৩ মিনিট ১১ সেকেন্ড। বোর্ড মূলত কিছু
সংবেদনশীল দৃশ্য ও সংলাপের ওপর ভিত্তি করে এসব পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছিল। এর
মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— ভারতের জাতীয় পতাকা মাটিতে পড়ে যাওয়ার দৃশ্যটি অপসারণ করা,
সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত সংলাপ পরিবর্তন করা এবং জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ের ব্যাজ অসম্মানজনকভাবে নিচে নামানোর দৃশ্যটি সংশোধন করা।
এছাড়াও শিশু পুড়িয়ে দেওয়ার একটি দৃশ্য পুরোপুরি বাদ দিয়ে সেখানে বিকল্প দৃশ্য
সংযোজন করতে হয়েছে।
সব মিলিয়ে সিনেমাটি থেকে প্রায় ২০ সেকেন্ডের মূল ফুটেজ কর্তন এবং আরও ১০ সেকেন্ডের
একটি অংশ পরিমার্জন করা হয়েছে। পরিচালক এইচ. বিনোথ নির্মিত ‘জন নায়গন’ আগামী ২০২৬
সালের ৯ জানুয়ারি পোঙ্গল উৎসব উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে। এই সিনেমাটি
নিয়ে দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহের প্রধান কারণ হলো এতে অভিনয় করেছেন
তামিলনাড়ুর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়। ২০২৪ সালে নিজের রাজনৈতিক দল গঠন
করে সরাসরি রাজনীতিতে প্রবেশের পর নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব
গ্রহণ করেন। ফলে রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে অভিনেতা হিসেবে এটিই হতে যাচ্ছে বিজয়ের
শেষ চলচ্চিত্র। এ কারণে ভক্তদের মাঝে সিনেমাটি নিয়ে উন্মাদনা এখন তুঙ্গে।











