ডিএসইর সূচক ও লেনদেনে মন্দা, সিএসইতে উল্টো চিত্র

ডিএসইর সূচক ও লেনদেনে মন্দা, সিএসইতে উল্টো চিত্র

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতনের ফলে মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণ—উভয়ই হ্রাস পেয়েছে। মূলত বড় মূলধনী ও ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় সূচকের এই নিম্নমুখিতা তৈরি হয়েছে। তবে ডিএসইতে মন্দা ভাব থাকলেও অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে

(ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতনের ফলে মূল্যসূচক ও লেনদেনের

পরিমাণ—উভয়ই হ্রাস পেয়েছে। মূলত বড় মূলধনী ও ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর

শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় সূচকের এই নিম্নমুখিতা তৈরি হয়েছে। তবে ডিএসইতে মন্দা ভাব

থাকলেও অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধির

মধ্য দিয়ে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

দিনের শুরুতে ডিএসইতে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার মাধ্যমে লেনদেন শুরু

হলেও শেষ সময়ের বিক্রয় চাপে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। বড় কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর

হারালে সূচক কমে দিনের কার্যক্রম শেষ হয়। ডিএসইতে এদিন ১৬০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের

দাম বাড়লেও বিপরীতে ১৮০টির দাম কমেছে এবং ৫০টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত ছিল।

বিশেষ করে বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২১টিরই শেয়ারের দাম কমেছে, যা

বাজারকে নিম্নমুখী করতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ

প্রদানকারী ৯৫টি কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৮

পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৮১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে ডিএসই-৩০ সূচকটিও ১০ পয়েন্ট কমে

২ হাজার ১৮১ পয়েন্টে নেমে এসেছে। তবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৮৪

পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেনের দিক থেকে ডিএসইতে এদিন ১ হাজার ৩৮৮ কোটি ৩ লাখ

টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২৮ কোটি টাকা কম। লেনদেনের

শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, মালেক স্পিনিং ও ব্র্যাক ব্যাংক।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চিত্র ছিল ডিএসইর ঠিক বিপরীত। সেখানে

সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৪২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া

২৫০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২৯টির দাম বেড়েছে এবং ১০০টির দাম কমেছে। লেনদেনের

পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে ৩০ কোটি ৭৯ লাখ টাকায় পৌঁছেছে।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ডিএসইতে বড় খাতের দরপতন হলেও সিএসইতে ছোট ও মাঝারি

মানের প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দরে ইতিবাচক গতি থাকায় সেখানকার বাজার পরিস্থিতি

তুলনামূলক ভালো ছিল।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos