বাংলাদেশের পোলট্রি শিল্পে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান কাজী ফার্মস লিমিটেড। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় বাচ্চা উৎপাদনের উপযোগী ১০ হাজার ৪৪০টি ডিম বা ‘হ্যাচিং এগ’ রপ্তানি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আজ রবিবার (২৮ জুন) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকারের পোলট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতকে
বাংলাদেশের পোলট্রি শিল্পে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান
কাজী ফার্মস লিমিটেড। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায়
বাচ্চা উৎপাদনের উপযোগী ১০ হাজার ৪৪০টি ডিম বা ‘হ্যাচিং এগ’ রপ্তানি করেছে
প্রতিষ্ঠানটি। আজ রবিবার (২৮ জুন) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিশেষ
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকারের পোলট্রি ও প্রাণিসম্পদ
খাতকে রপ্তানিমুখী করার দূরদর্শী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক
দুয়ার উন্মোচিত হলো, যা দেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণে নতুন সম্ভাবনার জন্ম দিয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নাইজেরিয়ায় রপ্তানি করা এই ডিমগুলো মূলত উচ্চমানের
‘রস ৩০৮ ব্রয়লার’ (প্যারেন্ট হ্যাচিং এগস) জাতের। এই সাড়ে ১০ হাজার হ্যাচিং ডিম
বিক্রি করে বাংলাদেশের মোট ১৮ হাজার ৭২৯ মার্কিন ডলার (বর্তমান বাজারে প্রায় ২২ লাখ
টাকা) বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে। আজ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের
কার্গো ভিলেজে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশেষ রপ্তানি কার্যক্রমের
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন
টুকু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু
বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি খাতকে রপ্তানিমুখী হিসেবে গড়ে তোলার যে
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, তাঁর সেই দূরদর্শী নির্দেশনায় আমাদের মৎস্য ও
প্রাণিসম্পদ খাতও ধীরে ধীরে একটি শক্তিশালী রপ্তানিমুখী খাতে পরিণত হচ্ছে। আজকের এই
পোলট্রি পণ্য রপ্তানি কার্যক্রম সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক।”
তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশ যখন নিজস্ব অভ্যন্তরীণ চাহিদা সম্পূর্ণ পূরণ করে
বিদেশে পোলট্রি পণ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হয়, তখন তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের
সক্ষমতা ও উন্নত মানেরই প্রতিফলন ঘটায়।
ভবিষ্যতে নাইজেরিয়া ছাড়িয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এই বিশেষ ডিম রপ্তানির পরিধি আরও
সম্প্রসারিত হবে এবং বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাত বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অন্যতম
চালিকাশক্তি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। এই ঐতিহাসিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে
অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো.
শাহজামান খান, শাহজালাল বিমানবন্দরের কোয়ারেন্টাইন স্টেশনের ইনচার্জ মোহাম্মদ ওমর
ফারুক, কাজী ফার্মস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান, পরিচালক
কাজী জিশান হাসান, কাজী জাহিন হাসান এবং সিইও গাজী এম শামসুদ্দিনসহ সরকারের
উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।











