কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকাজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকাজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যেকোনো ধরনের নাশকতা, বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবিলায় পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল থেকেই রাজধানীর কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা লক্ষ্য করা গেছে। নিরাপত্তা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে

তুলেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যেকোনো ধরনের নাশকতা, বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর

ঘটনা মোকাবিলায় পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল থেকেই রাজধানীর কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত

নিরাপত্তা ব্যবস্থা লক্ষ্য করা গেছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর মহানগরসহ নারায়ণগঞ্জ,

গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলায় সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

নির্দেশনা অনুযায়ী, ২২ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর অধীনে

সেনাসদস্যরা মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ

জানিয়েছেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যেখানে নিষিদ্ধ দলটির ‘অপতৎপরতা’ বৃদ্ধির

আশঙ্কা রয়েছে, সেখানেই বিশেষ এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা

স্বাভাবিক রাখতে ডিএমপির প্রায় ১৮ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং নগরজুড়ে

২০০টির বেশি চেকপোস্ট ও পিকেট বসানো হয়েছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, গুলিস্তান, প্রেসক্লাব,

শাহবাগ, মতিঝিল, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরসহ যেসব এলাকায় জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে

বাড়তি পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকা পরিদর্শনে এসে ডিএমপির

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, “একটি রাজনৈতিক দলের

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং পবিত্র মহরম মাসকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতা যাতে না

ঘটে, সেজন্য পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।” ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে কঠোর তল্লাশি

কার্যক্রম চলছে এবং সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হচ্ছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি ডিবি, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড

ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা সক্রিয়

রয়েছেন। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ১৫টি কুইক

রেসপন্স টিম (কিউআরটি) সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর

চারটি প্রধান কন্ট্রোলরুমে পর্যাপ্ত রিজার্ভ ফোর্স রাখা হয়েছে যাতে তাৎক্ষণিকভাবে

যেকোনো বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। জননিরাপত্তা ও জানমালের সুরক্ষায় আইনশৃঙ্খলা

রক্ষাকারী বাহিনীর এই বিশেষ তৎপরতা পুরো মাসজুড়েই অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos