ইন্দোনেশিয়া সরকার শিগগিরই তাদের বহুল আলোচিত ‘বি৫০’ বায়োডিজেল নীতিমালা কার্যকর করতে যাচ্ছে। এই পদক্ষেপের ফলে দেশটিতে পাম অয়েলের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা বিশ্ববাজারে পণ্যটির সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি করেছে। বাজার বিশ্লেষকদের এমন পূর্বাভাসের প্রভাবে গত সপ্তাহে ফিউচার মার্কেটে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম ৩ দশমিক ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি
ইন্দোনেশিয়া সরকার শিগগিরই তাদের বহুল আলোচিত ‘বি৫০’ বায়োডিজেল নীতিমালা কার্যকর
করতে যাচ্ছে। এই পদক্ষেপের ফলে দেশটিতে পাম অয়েলের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে
যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা বিশ্ববাজারে পণ্যটির সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের এমন পূর্বাভাসের প্রভাবে গত সপ্তাহে ফিউচার মার্কেটে মালয়েশীয়
পাম অয়েলের দাম ৩ দশমিক ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ
করেছে ‘বিজনেস রেকর্ডার’।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী দেশ ইন্দোনেশিয়া আগামী ১
জুলাই থেকে ‘বি৫০’ বায়োডিজেল ম্যান্ডেট চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার
দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী বাহলিল লাহাডালিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা প্রদান করেন।
‘বি৫০’ নীতি হলো একটি পরিবেশবান্ধব মিশ্রণ পদ্ধতি, যেখানে সাধারণ জ্বালানি তেলের ৫০
শতাংশই হবে পাম অয়েল থেকে উৎপাদিত বায়োডিজেল এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ হবে প্রচলিত খনিজ
ডিজেল। মূলত আমদানিকৃত খনিজ তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের
লক্ষ্যেই ইন্দোনেশিয়া এই সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
আন্তর্জাতিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে
(বিএমডিই) সেপ্টেম্বর মাসের সরবরাহের চুক্তিতে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম প্রতি টনে
৭২ রিঙ্গিত বা ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতি টন পাম অয়েলের মূল্য
দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৪৫ রিঙ্গিত বা ১ হাজার ১২৩ ডলার ৬১ সেন্টে। তবে সরকারি ছুটির
কারণে ডালিয়ান ও শিকাগো স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পূর্ণাঙ্গ
বাজারচিত্র আরও পরে পরিষ্কার হবে। এই নীতি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক বাজারে
ভোজ্যতেলের মূল্যে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।











