মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে ৩১ বছরের সর্বোচ্চ সুদের হারের পথে জাপান

মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে ৩১ বছরের সর্বোচ্চ সুদের হারের পথে জাপান

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের পথে হাঁটছে জাপান। মঙ্গলবার দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার ৩১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করতে যাচ্ছে বলে জোরালো পূর্বাভাস দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। বার্তা সংস্থা এএফপি-র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে পরিচিত জাপানের কেন্দ্রীয়

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল

মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের পথে হাঁটছে জাপান। মঙ্গলবার

দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার ৩১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করতে

যাচ্ছে বলে জোরালো পূর্বাভাস দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। বার্তা সংস্থা এএফপি-র এক

প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে পরিচিত জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক

তাদের নীতিগত সুদের হার ১.০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারে। এটি বাস্তবায়িত হলে

১৯৯৫ সালের পর জাপানে সুদের হার এই প্রথম সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছাবে। গত ডিসেম্বরের পর

এটিই হবে ব্যাংকটির প্রথম বড় ধরনের সুদের হার বৃদ্ধির ঘটনা। জাপানের স্থানীয় সময়

দুপুরে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেখা গেছে, গত সপ্তাহেই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং ব্যাংক

ইন্দোনেশিয়া মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে সুদের হার বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল

রিজার্ভের নতুন চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শও একই ধরনের কঠোর মুদ্রানীতির ইঙ্গিত দিলেও

প্রথম বৈঠকে তা বাস্তবায়িত হবে কি না, সেদিকেই সবার নজর। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া ও

যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো আপাতত সুদের হার স্থিতিশীল রাখতে পারে বলে মনে

করা হচ্ছে।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সম্প্রতি তিন মাসের রক্তক্ষয়ী

যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে

সম্মত হয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহকারী এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি সচল

হওয়ার সংবাদ বিশ্ববাজারে কিছুটা স্বস্তি দিলেও, দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি

কাটেনি। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে এই শান্তি চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে

স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি মূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি

তৈরি হয়েছে, তা প্রশমিত করতে জাপান এই কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে মনে

করছেন বিশ্লেষকরা।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos