দীর্ঘ ২৮ বছর পর ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে জয় দিয়ে নিজেদের নতুন অভিযান শুরু করেছে স্কটল্যান্ড। ‘গ্রুপ সি’-এর প্রথম ম্যাচে হাইতিকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিয়েছে কোচ স্টিভ ক্লার্কের দল। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম বৈশ্বিক ফুটবল মঞ্চে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা স্কটিশদের জন্য এই প্রত্যাবর্তনের জয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ
দীর্ঘ ২৮ বছর পর ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে জয় দিয়ে নিজেদের নতুন অভিযান শুরু
করেছে স্কটল্যান্ড। ‘গ্রুপ সি’-এর প্রথম ম্যাচে হাইতিকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে
পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিয়েছে কোচ স্টিভ ক্লার্কের দল। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স
বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম বৈশ্বিক ফুটবল মঞ্চে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা স্কটিশদের
জন্য এই প্রত্যাবর্তনের জয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক।
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ফক্সবরোতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই
হাইতির রক্ষণভাগের ওপর চাপ সৃষ্টি করে খেলতে থাকে স্কটল্যান্ড। প্রথমার্ধের শুরুতে
কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না
তারা। তবে ম্যাচের ২৮তম মিনিটে দলের জট খোলেন অধিনায়ক জন ম্যাকগিন। ডান দিক থেকে
সতীর্থের পাঠানো চমৎকার এক ক্রস ডি-বক্সের ফাঁকায় পেয়ে যান তিনি। কাছ থেকে নেওয়া
তাঁর জোরালো ও নিখুঁত শট হাইতির গোলপোস্টের জাল কাঁপিয়ে দিলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায়
স্কটল্যান্ড, যা শেষ পর্যন্ত ম্যাচের একমাত্র ও জয়সূচক গোল হিসেবে প্রমাণিত হয়।
গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ক্যারিবীয় দল হাইতি।
প্রথমার্ধের শেষভাগ এবং দ্বিতীয়ার্ধে তারা অল-আউট ফুটবল খেলে স্কটিশ রক্ষণভাগে একের
পর এক আক্রমণ চালায় এবং বেশ কয়েকবার তীব্র চাপ সৃষ্টি করে। তবে স্কটল্যান্ডের
গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডাররা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে হাইতির প্রতিটি ফরোয়ার্ড আক্রমণ
দক্ষতার সাথে প্রতিহত করেন এবং ম্যাচে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবধানটি সুরক্ষিত
রাখতে সক্ষম হন।
এই জয়ের সুবাদে গুরুত্বপূর্ণ ৩ পয়েন্ট পকেটে পুরে গ্রুপ ‘সি’-এর পয়েন্ট টেবিলের
শীর্ষস্থানে উঠে গেল স্কটল্যান্ড। এর আগে এই গ্রুপের অপর ম্যাচে ফুটবল পরাশক্তি
ব্রাজিল ও মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় স্কটিশরা প্রথম ম্যাচ শেষে
বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ব্রাজিল, মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডকে নিয়ে গঠিত
এই গ্রুপে প্রথম ম্যাচেই নিজেদের কৌশল ও লক্ষ্যের প্রমাণ দিল ক্লার্কের শিষ্যরা, যা
তাদের পরবর্তী পর্বের লড়াইয়ে মানসিকভাবে দারুণ উজ্জীবিত রাখবে।











