টানা চার দফায় দাম কমার পর আবারও বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে দেশের স্বর্ণের বাজারে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। শনিবার সকালে দেওয়া
টানা চার দফায় দাম কমার পর আবারও বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে দেশের স্বর্ণের বাজারে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ
জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০
টাকায় দাঁড়িয়েছে।
শনিবার সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এই মূল্যবৃদ্ধির তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং
জানানো হয়েছে যে, নতুন এই দর আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা
হয়, ‘স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক
পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।’
নতুন নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৪
টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি
স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯er ৮৮২ টাকা ধার্য করা হয়েছে। এর আগে গত ১১ জুন স্বর্ণের দাম
কিছুটা কমানো হলেও মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে বড় অংকের এই মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হলো।
স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। টানা চার দফা কমার পর এবার রুপার
দাম ভরিতে ২৯১ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার
মূল্য এখন ৫ হাজার ১৩২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, ১৮
ক্যারেটের ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা
নির্ধারণ করা হয়েছে। রুপার ক্ষেত্রেও বাজুস জানিয়েছে, ‘স্থানীয় বাজারে তেজাবি
রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম
নির্ধারণ করা হয়েছে।’
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৭৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর
মধ্যে ৩৮ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩৬ বার কমানো হয়েছে। অন্যদিকে রুপার দাম এ বছর এ
পর্যন্ত মোট ৪৫ বার পরিবর্তন করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৩ বার দাম বেড়েছে এবং ২২ বার
কমানো হয়েছে। ১১ জুন রুপার দাম সবশেষ কমানো হলেও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তা আবার
ঊর্ধ্বমুখী হলো। বাজুসের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের ফলে অলঙ্কার কিনতে আসা সাধারণ
ক্রেতাদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।











