আসন্ন বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে জয়বঞ্চিত থাকল অন্যতম আয়োজক দেশ কানাডা। ঘরের মাঠ মন্ট্রিয়লের সাপুতো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল তারা। দুই দলের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে খেলাটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের মূল পর্বে মাঠে নামার আগে এমন অমীমাংসিত ফলাফল কানাডার ফুটবল শিবিরে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করেছে, কারণ
আসন্ন বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে জয়বঞ্চিত থাকল অন্যতম আয়োজক দেশ
কানাডা। ঘরের মাঠ মন্ট্রিয়লের সাপুতো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে আয়ারল্যান্ডের
মুখোমুখি হয়েছিল তারা। দুই দলের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে খেলাটি ১-১
গোলে ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের মূল পর্বে মাঠে নামার আগে এমন অমীমাংসিত
ফলাফল কানাডার ফুটবল শিবিরে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করেছে, কারণ ঘরের মাঠে জয় নিয়ে
প্রস্তুতি শেষ করার লক্ষ্য ছিল তাদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে মাঠের নিয়ন্ত্রণ
নেওয়ার চেষ্টা করে। খেলার ২৪তম মিনিটে প্রথম সাফল্যের মুখ দেখে স্বাগতিক কানাডা।
তবে গোলটি আসে কিছুটা ভাগ্যের সহায়তায়। স্টিফেন ইউস্তাকুইয়ের নেওয়া একটি কর্নার
কিক প্রতিহত করতে গিয়ে আয়ারল্যান্ডের ডিফেন্ডার জেক ওব্রায়েন ভুলবশত বল নিজেদের
জালে পাঠিয়ে দেন। এই আত্মঘাতী গোলের সুবাদে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় কানাডা।
প্রথমার্ধের বাকি সময় আইরিশরা সমতায় ফেরার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালালেও কানাডার
রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে ওঠে আয়ারল্যান্ড। ম্যাচের ৬০তম
মিনিটে কানাডার কাইল লারিন ডি-বক্সের ভেতর ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন।
আয়ারল্যান্ডের ট্রয় প্যারট পেনাল্টি শট নিলেও কানাডিয়ান গোলরক্ষক ম্যাক্সিমে
ক্রেপেউ তা দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন। তবে সাথে সাথেই বিপদমুক্ত হয়নি কানাডা;
ক্রেপেউয়ের হাতে লেগে ফিরে আসা বলে দ্রুত শট নিয়ে জালে জড়ান চিডোজি ওগবেন। এর ফলে
ম্যাচে ১-১ সমতা ফিরে আসে এবং লড়াই আরও তীব্রতর হয়ে ওঠে।
ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলই জয়সূচক গোলের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। বিশেষ করে ৮৩তম
মিনিটে আইরিশ কিশোর ম্যাসন মেলিয়া একটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। তবে
গোলরক্ষক ক্রেপেউ পুনরায় তাঁর অসাধারণ দক্ষতার প্রমাণ দেন এবং মেলিয়ার জোরালো শটটি
রুখে দিয়ে দলকে নিশ্চিত হার থেকে রক্ষা করেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ
হলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়ে দুই দল। পুরো ম্যাচে কানাডিয়ান গোলরক্ষকের
বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রে।
বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে কানাডার ওপর এবার ফুটবল বিশ্বের গভীর নজর রয়েছে।
আয়ারল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে এই ড্র দলটির লড়াকু মানসিকতার পরিচয়
দিলেও ফিনিশিং ও রক্ষণভাগের কিছু দুর্বলতা কোচকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। অন্যদিকে,
বিদেশের মাটিতে পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফেরা আয়ারল্যান্ডের জন্য একটি ইতিবাচক ফল হিসেবে
দেখা হচ্ছে। এখন ফুটবল ভক্তদের নজর মূল টুর্নামেন্টের দিকে, যেখানে স্বাগতিক হিসেবে
কানাডা তাদের সামর্থ্যের চূড়ান্ত পরীক্ষা দেবে।











