চাঞ্চল্যকর রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচারিক কার্যক্রম আগামীকাল পহেলা জুন থেকে শুরু হচ্ছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এই মামলায় আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেছেন। আজ রোববার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে
চাঞ্চল্যকর রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচারিক কার্যক্রম আগামীকাল পহেলা জুন থেকে
শুরু হচ্ছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এই মামলায়
আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেছেন।
আজ রোববার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি
বলেন, ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন বলে সরকার বিশ্বাস করে।
মামলার অগ্রগতি নিয়ে আইনমন্ত্রী জানান যে, সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অত্যন্ত
দ্রুততম সময়ে অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই এই মামলার চার্জশিট প্রদান করা
হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে সঠিক সময়ে চার্জশিট দাখিল করার মাধ্যমে
রাষ্ট্রপক্ষ তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব পালন করেছে। আদালত খোলার প্রথম দিনেই মামলাটি
শুনানির তালিকায় রাখা হয়েছে এবং এর গুরুত্ব বিবেচনা করে বিচারিক কার্যক্রমকে
অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক
জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে সর্বোচ্চ দণ্ড প্রার্থনা করবে।
সংবিধান সংশোধন কমিটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে
মন্ত্রী বলেন যে, ১৭ সদস্যের প্রস্তাবিত কমিটির জন্য বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এখনো
কোনো নাম পাওয়া যায়নি। সরকার ইতিমধ্যে নিজেদের পক্ষ থেকে সাতজন এবং অন্যান্য দল ও
স্বতন্ত্র প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে পাঁচজন সদস্যের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। বিরোধী
দলের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি নামের জন্য সরকার বর্তমানে অপেক্ষা করছে। বিরোধী দলের
মতামত ও নাম পাওয়া গেলেই জুলাই সনদের ধারাবাহিকতায় সংবিধান সংশোধনের মূল কাজ
পুরোদমে শুরু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইনমন্ত্রী আরও জানান যে, মানবাধিকার আইন এবং গুম কমিশন আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে
সরকার ইতিমধ্যে প্রথম পর্যায়ের পরামর্শ সভা সম্পন্ন করেছে। সেখান থেকে আসা বিভিন্ন
গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ ও মতামত এখন গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
বাস্তবতার নিরিখে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই আইনগুলোকে জনস্বার্থে কার্যকর করার
লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে চলছে। প্রশাসনিক ও আইনি সংস্কারের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন
সুসংহত করতে সরকার একটির পর একটি ধাপ অতিক্রম করছে বলে তিনি দাবি করেন।











