কুয়েতে মার্কিন রাডার ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি আইআরজিসির

কুয়েতে মার্কিন রাডার ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি আইআরজিসির

মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান সামরিক উত্তেজনা নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে। কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্রে সফল অভিযান চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। মঙ্গলবার পরিচালিত এসব হামলায় মার্কিন বাহিনীর উন্নত রাডার ব্যবস্থা, ড্রোন হ্যাঙ্গার এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত অবকাঠামোকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে আলজাজিরা। ইরানের আধা-সরকারি

মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান সামরিক উত্তেজনা নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে। কুয়েতে অবস্থিত

যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্রে সফল অভিযান চালিয়ে ব্যাপক

ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

মঙ্গলবার পরিচালিত এসব হামলায় মার্কিন বাহিনীর উন্নত রাডার ব্যবস্থা, ড্রোন

হ্যাঙ্গার এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত অবকাঠামোকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা

হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে আলজাজিরা।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত আইআরজিসির প্রথম

দফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতে মোতায়েন করা মার্কিন বাহিনীর একটি দূরপাল্লার

রাডার কেন্দ্র, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডারে

নির্ভুলভাবে আঘাত করা হয়েছে। একই সঙ্গে আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত একটি

এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গারেও হামলা চালানো হয়, যার ফলে বেশ কয়েকটি সামরিক ড্রোন

মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

প্রথম বিবৃতির পর আইআরজিসি দ্রুতই দ্বিতীয় আরেকটি যৌথ ঘোষণা প্রদান করে। সেখানে বলা

হয়েছে, আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটিতে থাকা আগাম সতর্কীকরণ রাডার, এফপিএস-১১৭ রাডার এবং

প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপরও আক্রমণ চালানো হয়েছে। আইআরজিসির দাবি

অনুযায়ী, পরবর্তী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র পদক্ষেপ গ্রহণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে

যুক্তরাষ্ট্রের রাডার নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে দুর্বল করে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই

এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

আইআরজিসির সমান্তরালে ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনীও পৃথক এক বিবৃতিতে তাদের অভিযানের

তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, কুয়েতের তিনটি কৌশলগত মার্কিন অবস্থানে ‘কামিকাজে

ড্রোন’ ব্যবহার করে আক্রমণ চালানো হয়েছে। এতে ক্যাম্প আরিফজানের প্রশাসনিক ভবন ও

দিকনির্ণয়কারী অ্যান্টেনাসহ ক্যাম্প আল-আদিরির হেলিকপ্টার পার্কিং এবং আহমেদ

আল-জাবের ঘাঁটির সেনা আবাসন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক

উপস্থিতির কারণেই মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তা বারবার বিঘ্নিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় দেশের

সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এই পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ

গ্রহণ করা হয়েছে। তবে ইরানি বাহিনীর এই দাবির প্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত মার্কিন

প্রতিরক্ষা দপ্তর কিংবা কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া

যায়নি।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos