সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। এতে করে বাজারটির প্রধান মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এই ইতিবাচক ধারার পেছনে মূলত ব্যাংক ও বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর সক্রিয় ভূমিকা লক্ষ্য করা গেছে। একই চিত্র দেখা গেছে অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই), যেখানে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে
(ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। এতে করে বাজারটির প্রধান
মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এই ইতিবাচক ধারার পেছনে মূলত ব্যাংক ও বিমা খাতের
কোম্পানিগুলোর সক্রিয় ভূমিকা লক্ষ্য করা গেছে। একই চিত্র দেখা গেছে অন্য শেয়ারবাজার
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই), যেখানে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি
সংখ্যক প্রতিষ্ঠান। তবে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও ডিএসইতে তা আগের
কার্যদিবসের তুলনায় কিছুটা কমেছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরু থেকেই ব্যাংক ও বিমা কোম্পানিগুলোর প্রতি
বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় দিনের
সমাপ্তিতে ১৮১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ১৬৫টির
এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৮টির দর। খাতভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৬টি ব্যাংকের
শেয়ারের দাম বেড়েছে এবং ৪টির দাম কমেছে। বিমা খাতে ৩৫টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির
বিপরীতে কমেছে ২২টির। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৭ পয়েন্ট বেড়ে
৫ হাজার ৮৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া বাছাই করা কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০
সূচক ২ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
লেনদেনের দিকে তাকালে দেখা যায়, ডিএসইতে এদিন ১ হাজার ৪১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার
লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৫০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা কম। লেনদেনের
শীর্ষে ছিল মালেক স্পিনিং, যার ৫৩ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। ৩০ কোটি
২৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক এবং ২৬ কোটি ২৭
লাখ টাকার শেয়ার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইস্টার্ন হাউজিং। শীর্ষ দশের অন্য তালিকায়
ছিল লাভেলো আইসক্রিম, সার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, ফারইস্ট নিটিং ও লাফার্জহোলসিমের মতো
প্রতিষ্ঠান।
অন্যদিকে, বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দেওয়ার সক্ষমতা অনুযায়ী বিভিন্ন গ্রুপের শেয়ারে
মিশ্র প্রবণতা ছিল। ‘জেড’ গ্রুপ বা লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬৪টির দাম
বেড়েছে এবং ৩৩টির দাম কমেছে। ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া ভালো মানের ৮৩টি
প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, যদিও ১০১টির দাম কমেছে। সিএসইতে সার্বিক
মূল্যসূচক সিএএসপিআই ১১৮ পয়েন্ট বেড়েছে। সেখানে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৪৪টি
প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২২টির দাম বেড়েছে এবং ৯১টির দাম কমেছে। সিএসইতে এদিন লেনদেন
হয়েছে ৩০ কোটি ১০ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ১০ কোটি ১১ লাখ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্য
পরিমাণে বেশি।











