ওষুধের বাড়তি চাহিদা মেটাতে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের সিদ্ধান্ত স্কয়ার ফার্মার

ওষুধের বাড়তি চাহিদা মেটাতে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের সিদ্ধান্ত স্কয়ার ফার্মার

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও ওষুধ খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি বাজারে তাদের ওষুধের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং নতুন ওষুধ দ্রুত বাজারে আনার লক্ষ্যে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে। আজ সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি। ডিএসইতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার (২৮

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও ওষুধ খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান স্কয়ার

ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি বাজারে তাদের ওষুধের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং নতুন

ওষুধ দ্রুত বাজারে আনার লক্ষ্যে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে।

আজ সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের

মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।

ডিএসইতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার (২৮ জুন, ২০২৬) স্কয়ার

ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালনা পর্ষদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় ‘সি টু সি

ফার্মা লিমিটেড’ নামক একটি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক

উৎপাদন সংক্রান্ত একটি বিশেষ চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই কৌশলগত চুক্তির আওতায়

এখন থেকে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের পক্ষে তাদের ফর্মুলা ও মান নিয়ন্ত্রণ বজায়

রেখে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ উৎপাদন করবে সি টু সি ফার্মা।

কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বাজারে স্কয়ারের ওষুধের যে বিপুল ও বর্ধিত

চাহিদা রয়েছে, তা নিজস্ব সক্ষমতার পাশাপাশি এই চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের মাধ্যমে আরও

দ্রুত মেটানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এর মাধ্যমে নতুন নতুন জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বাজারে

নিয়ে আসা এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়াও অনেক সহজ হবে। এদিকে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

(ডিএসই) কর্তৃপক্ষ এই চুক্তির একটি অনুলিপি সরবরাহ করার জন্য স্কয়ার

ফার্মাসিউটিক্যালসকে অনুরোধ জানিয়েছে, তবে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী সেই চুক্তির অনুলিপি

এখনো স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে পৌঁছায়নি।

উল্লেখ্য, সুদীর্ঘকাল ধরে দেশের ওষুধ খাতে আধিপত্য বিস্তার করে রাখা স্কয়ার ফার্মা

১৯৯৫ সালে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত

মূলধনের পরিমাণ ৮৮৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণির

সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (উদ্যোক্তা বা পরিচালক ব্যতীত) মালিকানা

রয়েছে ৫৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। গতকাল রোববার (২৮ জুন) লেনদেন শেষে ডিএসইতে কোম্পানিটির

প্রতিটি শেয়ারের সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ২২৬ টাকা ৫০ পয়সায়। চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের এই

নতুন সিদ্ধান্তের ফলে আগামীতে কোম্পানির উৎপাদন ও মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে

আশা করছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos