৬ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা নিয়ে সুখবর দিল আরব আমিরাত

৬ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা নিয়ে সুখবর দিল আরব আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের বিদ্যমান অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধার পরিধি আরও বিস্তৃত করার ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের আরও ৬টি দেশের নাগরিকরা এখন থেকে দেশটিতে পৌঁছানোর পর তাৎক্ষণিকভাবে ভিসার সুবিধা পাবেন। এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া নতুন দেশগুলো হলো— ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, কেনিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক

সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের বিদ্যমান অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধার পরিধি আরও বিস্তৃত

করার ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের আরও ৬টি দেশের নাগরিকরা এখন

থেকে দেশটিতে পৌঁছানোর পর তাৎক্ষণিকভাবে ভিসার সুবিধা পাবেন। এই তালিকায়

অন্তর্ভুক্ত হওয়া নতুন দেশগুলো হলো— ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন,

কেনিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে ‘গালফ নিউজ’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ছয়টি দেশের পর্যটক এবং তাঁদের পরিবারের

সদস্যদের জন্য দুই ধরনের মেয়াদী অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

দর্শনার্থীরা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী ১৪ দিন অথবা ৬০ দিনের যেকোনো একটি ক্যাটাগরির

জন্য আবেদন করতে পারবেন। ফি’র বিষয়ে জানানো হয়েছে যে, ১৪ দিনের ভিসার জন্য ১০০

দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ হাজার ৩৪১ টাকা) এবং ৬০ দিনের ভিসার জন্য ২৫০ দিরহাম

(বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ হাজার ৩৫১ টাকা) পরিশোধ করতে হবে।

এর আগে পর্যন্ত বিশ্বের মোট ৩৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য আমিরাতে অন-অ্যারাইভাল ভিসার

সুযোগ বিদ্যমান ছিল। এই তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া,

জাপান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও কানাডার পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ

অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এখন নতুন করে এশিয়া ও আফ্রিকার আরও ছয়টি দেশ যুক্ত হওয়ায় এই

বিশেষ সুবিধাভোগী দেশের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪১টিতে।

আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর

সঙ্গে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির

প্রতিশ্রুতি থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ছয় দেশের দর্শনার্থীরা যাতে “আমিরাতের

সংস্কৃতি, বিশ্বমানের পর্যটন, গতিশীল অর্থনীতি, আকর্ষনীয় বাণিজ্য পরিবেশ এবং

বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত অবকাঠামো সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারেন— সেজন্যই এ

সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।” আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যিক হাব হিসেবে নিজেদের

অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতেই আমিরাত সরকার এই কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে মনে করছেন

বিশ্লেষকরা।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos