দেশের বাজারে পর পর দুই দফা স্বর্ণের দাম হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় পর্যায়ে খাঁটি বা তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ মূল্য কমে যাওয়ায় নতুন করে এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১০টা থেকে স্বর্ণের নতুন এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর করা হয়েছে বলে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। নতুন নির্ধারিত মূল্য
দেশের বাজারে পর পর দুই দফা স্বর্ণের দাম হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স
অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় পর্যায়ে খাঁটি বা তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ মূল্য কমে
যাওয়ায় নতুন করে এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন)
সকাল ১০টা থেকে স্বর্ণের নতুন এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর করা হয়েছে বলে বাজুসের এক
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে উন্নত মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি
স্বর্ণালঙ্কারের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা হ্রাস পেয়ে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকায়
দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা কমে ২
লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট মানের স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১
লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সাথে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি
ভরির নতুন দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এর আগে গত বুধবারও (২৪ জুন) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৫ হাজার
৪৮২ টাকা কমানো হয়েছিল। এর ফলে গত ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে ভালো মানের স্বর্ণের দাম
সম্মিলিতভাবে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা হ্রাস পেল, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বড় ধরনের
স্বস্তি নিয়ে এসেছে। বাজুস স্পষ্ট করেছে যে, স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের দাম
কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সময়োপযোগী সমন্বয় আনা হয়েছে।
স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার বাজারমূল্যে আপাতত কোনো পরিবর্তন আসেনি। রুপার গহনা
বিক্রির ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে এবং নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের
যথারীতি ৫ শতাংশ ভ্যাট প্রদান করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক
বাজারে মূল্যের ওঠানামা এবং স্থানীয় চাহিদার ওপর ভিত্তি করে স্বর্ণের এই নতুন দাম
নির্ধারণ করা হয়েছে।











