মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। পেসার শরিফুল ইসলামের ক্যারিয়ারসেরা ৬ উইকেটের অসামান্য বোলিং সত্ত্বেও ২২ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার কুপার কনোলির অনবদ্য সেঞ্চুরিতে শেষ মুহূর্তে পরাজয় এড়াতে পারেনি স্বাগতিকেরা। এই হারের ফলে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বপ্ন হাতছাড়া হলো বাংলাদেশের, যদিও
মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে
ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। পেসার
শরিফুল ইসলামের ক্যারিয়ারসেরা ৬ উইকেটের অসামান্য বোলিং সত্ত্বেও ২২ বছর বয়সী
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার কুপার কনোলির অনবদ্য সেঞ্চুরিতে শেষ মুহূর্তে পরাজয় এড়াতে
পারেনি স্বাগতিকেরা। এই হারের ফলে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বপ্ন হাতছাড়া
হলো বাংলাদেশের, যদিও সিরিজ জয়ের ট্রফিটি আগেই নিশ্চিত করেছিল লাল-সবুজের
প্রতিনিধিরা।
এদিন মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরুতে
সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে হারিয়ে মাত্র ৬১
রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তীব্র সংকটে পড়ে দল। সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে ৯২ রানের চমৎকার
জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। ইনিংসের মাঝপথে চোট পেয়ে সাময়িক
মাঠ ছাড়লেও পরবর্তীতে পুনরায় ব্যাটিংয়ে ফিরে মিরপুরে নিজের প্রথম ওয়ানডে ফিফটি
পূর্ণ করে ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন লিটন। অন্য প্রান্তে তাওহীদ হৃদয় খেলেন ৮৩ রানের
একটি নির্ভরযোগ্য ইনিংস। শেষ দিকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দ্রুতগতির অপরাজিত ৫৬
রানের ওপর ভর করে ৫ উইকেটে ২৭৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
২৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করে সফরকারী
অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ৪ ওভারেই ৩৮ রান তুলে নেওয়া অজি শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন
বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। নিজের প্রথম ওভারেই জশ ইংলিশ ও ম্যাট রেনশোকে ফিরিয়ে
দিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন তিনি। পরবর্তীতে অ্যালেক্স ক্যারিকে সাজঘরে পাঠান তাসকিন
আহমেদ। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে মার্নাস লাবুশেনকে নিয়ে ৬৪ রানের জুটি গড়েন কুপার
কনোলি। মাত্র ৫১ বলে ফিফটি ছোঁয়ার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ২২ বছর বয়সী এই
ওপেনার। পরবর্তীতে ক্যামেরন গ্রিনকে (২৭) সঙ্গে নিয়ে মাত্র ৮৭ বলে ওয়ানডে
ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার জয় সহজ করে দেন তিনি।
ম্যাচের শেষভাগে অলিভার পিক (২৭) ও জাভিয়ার বার্টলেটকে পর পর দুই বলে আউট করে
ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট বা ‘ফাইফার’ শিকারের মাইলফলক স্পর্শ করেন শরিফুল
ইসলাম। পরবর্তীতে আরও একটি উইকেট তুলে নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ৬ উইকেট শিকারের রেকর্ড
গড়েন তিনি। তবে অন্য প্রান্তের বোলারদের থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় শরিফুলের
এই লড়াকু বোলিং শেষ পর্যন্ত বৃথা যায়। ৩ বল ও ১ উইকেট হাতে রেখে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে
যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুলের ৬ উইকেট ছাড়াও তাসকিন আহমেদ,
মোস্তাফিজুর রহমান ও শেখ মেহেদী হাসান একটি করে উইকেট শিকার করেন।











