ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় এক চমক দেখাল কাতার। শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় শক্তিশালী সুইজারল্যান্ডকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে ইতিহাস গড়েছে গত বিশ্বকাপের আয়োজক দেশটি। ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে যখন সুইসরা জয়ের সুবাস পাচ্ছিল, ঠিক তখনই যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে বুয়ালেম খুখির দুর্দান্ত এক হেডে কাতার তাদের প্রথম পয়েন্ট নিশ্চিত করে। ম্যাচের ১৭ মিনিটে
ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় এক চমক দেখাল কাতার। শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় শক্তিশালী
সুইজারল্যান্ডকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে ইতিহাস গড়েছে গত বিশ্বকাপের আয়োজক দেশটি।
ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে যখন সুইসরা জয়ের সুবাস পাচ্ছিল,
ঠিক তখনই যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে বুয়ালেম খুখির দুর্দান্ত এক হেডে কাতার তাদের
প্রথম পয়েন্ট নিশ্চিত করে।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে ব্রিল এমবোলোর পেনাল্টি গোলে লিড নিয়েছিল সুইজারল্যান্ড। কাতারের
গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা ডি-বক্সের ভেতরে রেমো ফ্রেউলারকে ফাউল করলে রেফারি
পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন এবং আবুনাদাকে হলুদ কার্ড দেখান। স্পট কিক থেকে গোল করতে
কোনো ভুল করেননি এমবোলো। পুরো ম্যাচ জুড়েই সুইজারল্যান্ডের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট।
বলের ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে তারা মোট ২৬টি শট নেয়, যার মধ্যে ৭টিই
ছিল লক্ষ্যে। তবে গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা শুরুতেই পেনাল্টি দিয়ে ‘ভিলেন’ হওয়ার
সম্ভাবনা তৈরি করলেও পরবর্তীতে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে
রাখেন।
সুইজারল্যান্ড যখন জয়ের অপেক্ষায় ঘড়ির কাঁটার দিকে তাকিয়ে ছিল, ঠিক তখনই কাতার এক
পাল্টা আক্রমণে উঠে আসে। লেফট ব্যাক হোমাম আহমেদের নিখুঁত এক ক্রস থেকে লাফিয়ে উঠে
হেডে জাল কাঁপান ৩৫ বছর বয়সী অভিজ্ঞ সেন্টার ব্যাক বুয়ালেম খুখি। এই গোলের মাধ্যমে
কাতার কেবল হারই এড়ায়নি, বরং বিশ্বকাপের আসরে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম পয়েন্ট
অর্জনের গৌরবও অর্জন করল। এর আগের বিশ্বকাপে খেলা তিনটি ম্যাচেই হারের তেতো স্বাদ
পেয়েছিল তারা।
একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে কানাডা ও বসনিয়া ড্র করায় বর্তমানে ‘বি’ গ্রুপের চারটি
দলেরই পয়েন্ট সমান ১। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পয়েন্টের মুখ দেখায় কাতারই এখন
সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী দল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অন্যদিকে, জয়ের খুব কাছে গিয়েও ড্র
করায় সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিনকে মাঠ ছাড়তে হয়েছে একরাশ হতাশা নিয়ে। শেষ
বাঁশি বাজার আগমুহূর্তে এভাবে গোল হজম করা সুইসদের জন্য বড় এক শিক্ষা হিসেবে রয়ে
গেল।











