মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালের পর দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষা শেষে দুই দল আবারও দ্বিপক্ষীয় সিরিজে মুখোমুখি হলো। এই ম্যাচে টসে জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক জশ ইংলিস। ফলে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের আমন্ত্রণে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিকরা।
মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ
ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালের পর দীর্ঘ ১৫ বছরের
অপেক্ষা শেষে দুই দল আবারও দ্বিপক্ষীয় সিরিজে মুখোমুখি হলো। এই ম্যাচে টসে জিতে আগে
ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক জশ ইংলিস। ফলে বাংলাদেশ
অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের আমন্ত্রণে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিকরা।
ব্যাটিংয়ের শুরুটা বাংলাদেশের জন্য খুব একটা স্বস্তিদায়ক হয়নি। ওপেনার তানজিদ হাসান
তামিম প্রথম ওভারেই বাউন্ডারি মেরে আশার আলো দেখালেও দ্বিতীয় ওভারেই বড় ধাক্কা খায়
দল। সাইফ হাসান ৫ বলে মাত্র ৫ রান করে নাথান এলিসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে
ড্রেসিংরুমে ফিরে যান। এরপর ক্রিজে আসা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও এলিসের সুইং ও
লাইন-লেন্থে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েন। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে স্লিপে ক্যাচ তুলে দিয়েও
মারনাস লাবুশেন তা হাতে জমাতে না পারায় ব্যক্তিগত ৪ রানে জীবন পান শান্ত। পাওয়ার
প্লের প্রথম ৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৪ রান।
এই ম্যাচের মাধ্যমে দীর্ঘ দুই বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
অন্যদিকে, লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনকে নিউজিল্যান্ড সিরিজের শেষ ম্যাচের মতো আজও
একাদশের বাইরে রাখা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আজ ওয়ানডে অভিষেক হয়েছে পেস অলরাউন্ডার
লিয়াম স্কটের। বাংলাদেশ একাদশে অভিজ্ঞ লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয় ও তাসকিন আহমেদের
পাশাপাশি তরুণ নাহিদ রানা ও তানভীর ইসলাম জায়গা পেয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ ওয়ানডে জয় ছিল ২০০৫ সালে কার্ডিফে। দীর্ঘ
সময় পর ঘরের মাঠে এই শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়া বাংলাদেশের জন্য একটি বড়
চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম ক্রিজে থেকে
পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছেন। বৈরী কন্ডিশনে মিরপুরের উইকেটে ব্যাটিং করা
ব্যাটসম্যানদের জন্য বেশ কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দুই অধিনায়কই
এই সিরিজকে ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অভিহিত করেছেন।











