সর্ববৃহৎ বাজেটের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

সর্ববৃহৎ বাজেটের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

এক নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পটভূমির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তথা বহুল প্রতীক্ষিত বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে রোববার (৭ জুন)। বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আহ্বানে এই অধিবেশন শুরু হচ্ছে। আগামী ১১ জুন নতুন অর্থবছরের (২০২৬-২৭) প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির

এক নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পটভূমির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা দেশের ত্রয়োদশ

জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তথা বহুল প্রতীক্ষিত বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে রোববার

(৭ জুন)। বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আহ্বানে এই

অধিবেশন শুরু হচ্ছে। আগামী ১১ জুন নতুন অর্থবছরের (২০২৬-২৭) প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট

পেশ করবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের এটিই প্রথম

পূর্ণাঙ্গ বাজেট।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এবারের বাজেটের সম্ভাব্য আকার হতে যাচ্ছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার কোটি

টাকা থেকে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে; যা কোনো কোনো প্রাথমিক প্রাক্কলনে ৯

লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত স্পর্শ করেছে। চূড়ান্তভাবে এটি অনুমোদিত হলে তা হবে

দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ জাতীয় বাজেট। বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর ও বিপর্যস্ত

অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে, মূল্যস্ফীতির কষাঘাত থেকে সাধারণ

মানুষকে স্বস্তি দেওয়া এবং একটি বৈষম্যহীন সাম্যের অর্থনীতি বিনির্মাণই এই মেগা

বাজেটের মূল লক্ষ্য।

বাজেটের চিরাচরিত আমলাতান্ত্রিক ও পুঁজিপতিবান্ধব খোলস ভেঙে এক অভিনব অর্থনৈতিক

দর্শন সামনে এনেছে বর্তমান সরকার। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

স্পষ্ট করে বলেছেন, এবারের বাজেটের মূল দর্শন হলো ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি’ বা

অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ। এর অর্থ হলো, রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুফল যেন

কেবল গুটিকয়েক উচ্চবিত্তের হাতে কুক্ষিগত না থেকে দেশের প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে

দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় পৌঁছায়।

বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বাড়লেও তার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে

পৌঁছায়নি। ফলে তৈরি হয়েছিল চরম অর্থনৈতিক বৈষম্য। নতুন সরকার এই বৈষম্যের দেয়ালে

আঘাত করতে চায়।

অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, বাজেটে এ যাবৎ সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হয়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। তাই

সরকার বাজেটে প্রথমেই দরিদ্র, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী এবং গৃহিণীদের অগ্রাধিকার

দিয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা এবং এতদিন অবহেলায় থাকা নারী ও প্রান্তিক

শ্রমজীবী মানুষকে অর্থনৈতিক মূলধারায় নিয়ে আসাই এই নতুন দর্শনের মূল ভিত্তি।

মেগা বাজেটের মূল রূপরেখা ও লক্ষ্যমাত্রা: ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই বাজেটের আকার যেমন

বিশাল, তেমনি এর অভ্যন্তরীণ লক্ষ্যমাত্রাগুলোও বেশ উচ্চাভিলাষী। সরকারের

নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সামষ্টিক

অর্থনৈতিক রূপরেখাটি নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো-

বাজেটের সম্ভাব্য আকার: ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (সর্বোচ্চ প্রাক্কলন ৯ লাখ ৩৮

হাজার কোটি টাকা)।

রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা: প্রায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। কর জালের সম্প্রসারণ

এবং দুর্নীতিমুক্ত রাজস্ব প্রশাসন গড়ে তোলার মাধ্যমে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের

পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP): সম্ভাব্য আকার ৩ লাখ কোটি টাকা। অনুৎপাদনশীল খাতের

ব্যয় কমিয়ে এই অর্থ সরাসরি জনকল্যাণমূলক ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।

সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিকীকরণ।

প্রান্তিক মানুষের সুরক্ষায় যুগান্তকারী উদ্যোগ: ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘ফার্মার্স

কার্ড’; নতুন বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা কেবল বাড়ানোই হচ্ছে না; বরং

এর বিতরণ প্রক্রিয়ায় আনা হচ্ছে আমূল সংস্কার। অতীতে সামাজিক নিরাপত্তার ভাতা বা

অনুদান বিতরণে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের লুটপাটের যে সংস্কৃতি

ছিল, তা কঠোরভাবে বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিজিটাল ফ্যামিলি কার্ড: নিম্ন আয়ের পরিবার এবং বিশেষভাবে গৃহিণীদের অর্থনৈতিকভাবে

স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি জোরদার করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায়

কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি প্রকৃত উপকারভোগীর

ব্যাংক বা মোবাইল অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর করা হবে।

খাদ্য নিরাপত্তায় ফার্মার্স কার্ড: দেশের কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামগ্রিক

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালু করা হচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’। এই কার্ডের

মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা সরাসরি সরকারি প্রণোদনা, ভর্তুকি মূল্যে সার-বীজ এবং

স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।

সরকার মনে করে, কৃষি খাতের প্রকৃত আধুনিকায়ন ও কৃষকের ক্ষমতায়ন ছাড়া মূল্যস্ফীতি

স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব।

দীর্ঘদিন ধরেই অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদদের প্রধান ক্ষোভ ছিল, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য

দেশের তুলনায় বাংলাদেশে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির অনুপাতে সরকারি ব্যয়

অত্যন্ত কম। নতুন সরকার এই দীর্ঘমেয়াদি সংকট দূরীকরণে মানবসম্পদ খাতকে ব্যয়ের মূল

কাঠামোতে পুনর্বিন্যাস করেছে। শীর্ষ ১০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রস্তাবিত বাজেট

প্রাক্কলন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির হার

অন্য যেকোনো খাতের চেয়ে অনেক বেশি।

শিক্ষা খাতের নতুন আশাবাদ: শিক্ষা খাতকে মেধাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ার মূল

হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়: প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি শক্ত করতে এই

মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ চলতি অর্থবছরের ৩৫ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা থেকে একলাফে ৪২,১৪০

কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা প্রায় ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি।

উন্নয়ন বাজেটে চমক: আরও বড় পরিবর্তন আসছে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন বাজেটে (ADP)।

এখানে বরাদ্দ ১১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা করা

হচ্ছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ: এই বিভাগের বরাদ্দ ৪৭ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা থেকে

বাড়িয়ে ৫০ হাজার ৩০২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার ও ইউনিভার্সাল হেলথ কেয়ার: দেশের সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার

খরচ চালাতে গিয়ে পকেটের শেষ সম্বলটুকুও হারিয়ে ফেলতে হয়। এই ‘আউট অব পকেট

এক্সপেন্ডিচার’ বা পকেটের অতিরিক্ত ব্যয় কমানোকে সরকার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে ইউনিভার্সাল ও প্রাইমারি হেলথ কেয়ার (সার্বজনীন ও প্রাথমিক

স্বাস্থ্যসেবা) সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

চিকিৎসাসেবা প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি স্বনামধন্য

বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সম্পৃক্ত করার নতুন কৌশল নেওয়া

হচ্ছে।

নতুন দিগন্ত: ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ বা সৃজনশীল অর্থনীতি: এই বাজেটের অন্যতম আকর্ষণীয়

এবং প্রগতিশীল দিক হলো ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ বা সৃজনশীল অর্থনীতির অন্তর্ভুক্তি।

প্রচলিত অর্থনীতিতে কামার, কুমার, তাঁতি, ক্ষুদ্র কারুশিল্পী, থিয়েটারকর্মী কিংবা

সাংস্কৃতিক কর্মীদের অবদানকে জিডিপির খেরোখাতায় তেমন মূল্যায়ন করা হতো না। নতুন

অর্থমন্ত্রী এই ধারণার পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। তিনি মনে করেন, জিডিপি কেবল বড় বড় ধোঁয়া

ওড়ানো শিল্প-কারখানা থেকে আসে না; সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও কারুশিল্পের মতো সৃজনশীল খাতও

অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখতে পারে। এই লক্ষ্যে প্রস্তাবিত বাজেটে এই অবহেলিত

জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ কর্মসূচির রূপরেখা থাকছে। তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, সহজ শর্তে ঋণ

প্রদান, আধুনিক ডিজাইন সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও

বাজারজাতকরণে সরাসরি অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত ‘নিয়ন্ত্রণমুক্ত অর্থনীতি’: বিনিয়োগ আকর্ষণ ও

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করার জন্য সরকার ‘লাইসেন্স রাজ’ ও আমলাতান্ত্রিক লাল ফিতার

দৌরাত্ম্য কমানোর কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় আইনি

নিয়ন্ত্রণ ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার বিলম্ব দূর করে একটি ‘নিয়ন্ত্রণমুক্ত অর্থনীতি’

(Deregulation of Economy) গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এখন থেকে ব্যবসার

বিভিন্ন সরকারি অনুমোদন একটি নির্দিষ্ট ও বাধ্যতামূলক সময়সীমার মধ্যে দিতে হবে। এই

নিয়ম বাস্তবায়নে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে বা দুর্নীতি করতে চাইলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া

হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্প পর্যবেক্ষণে ড্যাশবোর্ড: এই অপচয় ও দুর্নীতি রোধে নতুন বাজেটে একটি ডিজিটাল

ড্যাশবোর্ড ব্যবস্থা চালু করার কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের

উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি সরাসরি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। কাজ বিলম্বিত

হলে বা অনিয়ম হলে দায়ী কর্মকর্তাদের দ্রুত প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করে শাস্তির

আওতায় আনা হবে।

পুঁজিবাজার পুনর্গঠন: ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং দেশের পুঁজিবাজারকে

গতিশীল করতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সম্পূর্ণ

পুনর্গঠন করা হচ্ছে। শিগগিরই রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরে গিয়ে অত্যন্ত পেশাদার, দক্ষ ও

অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে নতুন কমিশন গঠন করা হবে, যাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা

আশ্বস্ত হতে পারেন।

সরকারের এই মানবসম্পদমুখী ও জনকল্যাণমুখী বাজেট ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের

অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বরাদ্দ বাড়ানোর এই

উদ্যোগ ঐতিহাসিক এবং প্রশংসনীয়। তবে কাগজের এই বরাদ্দ বাস্তবে কতটা প্রতিফলিত হবে,

তা নিয়ে তারা কিছুটা চিন্তিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রায় ৭ লাখ কোটি টাকার

রাজস্ব আদায় করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া নতুন প্রশাসনের দক্ষতা এবং তৃণমূল

পর্যায়ে দুর্নীতি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পুরোপুরি দূর করা না গেলে ড্যাশবোর্ড বা

ফ্যামিলি কার্ডের মতো উন্নত প্রযুক্তির সুফলও ভেস্তে যেতে পারে। তাই বরাদ্দ বাড়ানোর

পাশাপাশি কার্যকর বাস্তবায়ন এবং শক্তিশালী তদারকি নিশ্চিত করাই হবে এই সরকারের

সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

সংসদ ভবনে কঠোর নিরাপত্তা: এদিকে, ঐতিহাসিক এই বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে

শেরেবাংলা নগরের জাতীয় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা

হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সংসদ ভবনের চারপাশের নিরাপত্তা বজায় রাখতে

সব ধরনের অস্ত্র বহন, মিছিল, জনসভা ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি

করেছে। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, সংসদ কক্ষের কারিগরি প্রস্তুতিসহ অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে

পরিচালনার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন।

এর আগে, গত ১২ মার্চ দেশের এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গঠিত ত্রয়োদশ

জাতীয় সংসদের প্রথম ঐতিহাসিক অধিবেশন বসেছিল। সেই প্রথম অধিবেশনটি দীর্ঘ ২৫

কার্যদিবস ধরে চলে এবং ৯৪টি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস ও ১৩৩টি জরুরি সরকারি অধ্যাদেশ

উত্থাপনের এক অনন্য রেকর্ড গড়ে গত ৩০ এপ্রিল শেষ হয়।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos