আগামী জুনে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য হাইভোল্টেজ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের জন্য ১৫ সদস্যের শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত এই স্কোয়াডে বড় ধরনের চমক রেখেছে নির্বাচক কমিটি। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজকে নেতৃত্বের দায়িত্ব দিয়ে সাজানো এই দলে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার
আগামী জুনে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য হাইভোল্টেজ ওয়ানডে সিরিজের
প্রথম দুই ম্যাচের জন্য ১৫ সদস্যের শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট
বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত এই স্কোয়াডে বড় ধরনের চমক রেখেছে নির্বাচক কমিটি। অভিজ্ঞ
অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজকে নেতৃত্বের দায়িত্ব দিয়ে সাজানো এই দলে তারুণ্য ও
অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার
আগে ঘরোয়া কন্ডিশনের সর্বোচ্চ সুবিধা কাজে লাগিয়ে ইতিবাচক ফলাফল অর্জনই এখন
টাইগারদের মূল লক্ষ্য।
ঘোষিত এই ওয়ানডে স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অলরাউন্ডার
মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের প্রত্যাবর্তন। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর আবারও জাতীয় দলের
ওয়ানডে ফরম্যাটে ডাক পেলেন তিনি। সর্বশেষ ২০২২ সালের আগস্ট মাসে জিম্বাবুয়ের
বিপক্ষে দেশের হয়ে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন মোসাদ্দেক। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক
নৈপুণ্য প্রদর্শনের পুরস্কার হিসেবে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও নির্বাচকদের আস্থায়
ফিরলেন এই ক্রিকেটার। তাঁর অন্তর্ভুক্তি দলের মিডল অর্ডারে বাড়তি গভীরতা ও শক্তি
যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
দলে নতুনদের আগমনের পাশাপাশি বাদ পড়েছেন গত নিউজিল্যান্ড সিরিজে থাকা আফিফ হোসেন
এবং মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। বিশেষ করে অফফর্মের কারণে নির্বাচকদের রাডারের বাইরে চলে
গেছেন আফিফ হোসেন। তাঁর ব্যাটিংয়ে সাম্প্রতিক ধারাবাহিকতার অভাব থাকায় অস্ট্রেলিয়ার
মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাঁকে বিবেচনার বাইরে রাখা হয়েছে। তবে স্কোয়াডে সৌম্য
সরকার, লিটন কুমার দাস এবং নাজমুল হোসেন শান্তর মতো নিয়মিত মুখদের ওপরই মূল ভরসা
রাখা হয়েছে। পেস বোলিং বিভাগে তাসকিন-মুস্তাফিজের পাশাপাশি তরুণ নাহিদ রানার
অন্তর্ভুক্তি পেস আক্রমণকে আরও বৈচিত্র্যময় করেছে।
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে আগামীকাল ৪ জুন থেকে। মিরপুর
শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টাইগাররা নিবিড় অনুশীলন ক্যাম্পে অংশ নেবেন।
সিরিজের মূল লড়াই শুরু হবে আগামী ৯ জুন প্রথম ওয়ানডের মাধ্যমে। পরবর্তী দুটি ওয়ানডে
ম্যাচ যথাক্রমে ১১ এবং ১৪ জুন একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে দুই দল
চট্টগ্রামে পাড়ি জমাবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য। সেখানে ১৭, ১৯ এবং ২১ জুন জহুর
আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা
রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য চূড়ান্ত হওয়া ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ দলে রয়েছেন—মেহেদী
হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন
শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, কাজী নুরুল হাসান
সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম
ও নাহিদ রানা। অভিজ্ঞ এবং তরুণ তুর্কিদের সমন্বয়ে গড়া এই দলটি শক্তিশালী
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে লড়াই জমিয়ে তুলবে বলে প্রত্যাশা করছেন ক্রিকেট ভক্ত
ও বিশ্লেষকরা।











