পানামার জালে গোল উৎসবে মাতল ব্রাজিল

পানামার জালে গোল উৎসবে মাতল ব্রাজিল

আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে রিও ডি জেনেরিওর ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে ব্রাজিল। পানামাকে ৬-২ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। পুরো ম্যাচে সেলেসাওদের ছন্দময় ফুটবল ও নিখুঁত ফিনিশিংয়ের সামনে পানামা কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি। বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ে নামার আগে এই বড় জয় দলটির আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে রাখবে বলে মনে

আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে রিও ডি জেনেরিওর ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে

দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে ব্রাজিল। পানামাকে ৬-২ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে

নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। পুরো ম্যাচে সেলেসাওদের

ছন্দময় ফুটবল ও নিখুঁত ফিনিশিংয়ের সামনে পানামা কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি।

বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ে নামার আগে এই বড় জয় দলটির আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে রাখবে বলে মনে

করা হচ্ছে।

খেলার শুরু থেকেই অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল ব্রাজিল। ম্যাচের মাত্র দ্বিতীয়

মিনিটে দলকে লিড এনে দেন তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তবে খেলার ধারার বিপরীতে

পানামা সমতায় ফেরে যখন মাইকেল মুরিলোর একটি ফ্রি-কিক ব্রাজিলের মাথিউস কুনহার গায়ে

লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়। এই আত্মঘাতী গোলের ধাক্কা ব্রাজিল দ্রুতই সামলে

নেয়। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরোর দুর্দান্ত এক গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে

প্রথমার্ধ শেষ করে স্বাগতিকরা।

বিরতির পর কোচ কার্লো আনচেলত্তি কৌশলী পরিবর্তন আনেন এবং একসাথে ১০ জন খেলোয়াড়কে

বদলি হিসেবে মাঠে নামান। এতে পানামার রক্ষণভাগ আরও বেশি ভেঙে পড়ে এবং ব্রাজিলের গোল

উৎসব শুরু হয়। তরুণ তুর্কি রায়ান দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন। এরপর লুকাস পাকেতার শট

প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে জালে জড়ালে স্কোর হয় ৪-১। ম্যাচের শেষের দিকে ইগর থিয়াগো

পেনাল্টি থেকে এবং ডিফেন্ডার দানিলো চমৎকার এক ফিনিশিংয়ে দলের হয়ে ষষ্ঠ গোলটি পূর্ণ

করেন। এর মাঝে পানামার হার্ভে একটি অসাধারণ দূরপাল্লার শটে ব্যবধান কিছুটা কমালেও

তা পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।

পুরো ম্যাচে ব্রাজিলের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ম্যাচে সেলেসাওরা

মোট ১৪টি শট নেয় এবং তাদের গোল করার সম্ভাবনা বা এক্সপেক্টেড গোলস (xG) ছিল ২.২৬।

আনচেলত্তি তার পুরো স্কোয়াডকে পরখ করে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, যা কৌশলগতভাবে দলের

দুর্বলতা খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। পাসিং ও ক্লিনিক্যাল ফিনিশিংয়ের ক্ষেত্রে

ব্রাজিলিয়ানরা যেভাবে নৈপুণ্য দেখিয়েছে, তা প্রতিপক্ষ দলগুলোর জন্য সতর্কবার্তা

হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

বিশ্বকাপের মূল মিশন শুরুর আগে ব্রাজিলের আরও একটি প্রস্তুতি ম্যাচ বাকি রয়েছে।

আগামী ৭ জুন তারা মোহামেদ সালাহর মিশরের মুখোমুখি হবে। এরপর ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে

ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু হবে। ‘সি’ গ্রুপে থাকা ব্রাজিল পরবর্তী

ম্যাচগুলোতে ২০ জুন হাইতি এবং ২৫ জুন স্কটল্যান্ডের মোকাবিলা করবে। মারাকানার এই

বিশাল জয় সেলেসাও ভক্তদের মনে হেক্সা জয়ের নতুন আশা জাগিয়ে তুলেছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos