আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং বেইলি রোডের মনোয়ারা হাসপাতালে যৌথ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। রবিবার (৩১ মে) বিকালে ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যান্টিনের ফ্রিজে লেবেলবিহীন ও জমাটবদ্ধ বাসি মিষ্টি রাখা, রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বিভিন্ন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব এবং
আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং বেইলি রোডের মনোয়ারা হাসপাতালে যৌথ মোবাইল
কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। রবিবার (৩১ মে) বিকালে ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যান্টিনের ফ্রিজে
লেবেলবিহীন ও জমাটবদ্ধ বাসি মিষ্টি রাখা, রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বিভিন্ন
ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব এবং হাসপাতালের রেফ্রিজারেটরে তাপমাত্রা পরিমাপক
যন্ত্র না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১ লাখ টাকা এবং নিরাপদ খাদ্য আইনে ২ লাখ টাকা—সর্বমোট ৩
লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দণ্ড আরোপ করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
জরিমানার পাশাপাশি হাসপাতালের সামগ্রিক পরিবেশের উন্নয়ন, পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের
ব্যবস্থা রাখা, রেফ্রিজারেটরে তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র স্থাপন, ক্যান্টিনের
মানোন্নয়ন এবং বেকারি স্থানান্তরের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কঠোরভাবে সতর্ক করার
পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।
এছাড়া বেইলি রোডের মনোয়ারা হাসপাতালেও মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালিত হয়। এসময়
হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন বিষয়ে
দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মো.
মাহমুদুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-১-এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.
ফারিয়া ফয়েজ, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আসলাম ভূঁইয়া, রমনা থানার পুলিশ সদস্যরা
এবং সিটি করপোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।
জনস্বার্থে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এই যৌথ ও নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত
থাকবে বলে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।











