দুর্নীতি করব না, কাউকে করতে দেব না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী

দুর্নীতি করব না, কাউকে করতে দেব না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, ‘ইউনিয়নের চেয়ারম্যানেরা, আপনারা কোন দল করেন আমি জানতে চাই না। কিন্তু আপনাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেন জনগণের উপকারে আসে। আপনাদের পকেট যেন ভারি না হয়। তাহলে কিন্তু জেলে যেতে হবে, পরিষ্কার বলে দিচ্ছি। আপনারা যেন উন্নয়নের নামে লুটপাটে ব্যস্ত না হয়ে যান। ওই দিন শেষ হয়ে গেছে। এটা রাষ্ট্রপতি

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, ‘ইউনিয়নের

চেয়ারম্যানেরা, আপনারা কোন দল করেন আমি জানতে চাই না। কিন্তু আপনাদের উন্নয়ন

কর্মকাণ্ড যেন জনগণের উপকারে আসে। আপনাদের পকেট যেন ভারি না হয়। তাহলে কিন্তু জেলে

যেতে হবে, পরিষ্কার বলে দিচ্ছি। আপনারা যেন উন্নয়নের নামে লুটপাটে ব্যস্ত না হয়ে

যান। ওই দিন শেষ হয়ে গেছে। এটা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার

দল। আমাদের নেতা তারেক রহমানের দলে এখানে লুটপাটের কোনো সুযোগ নেই, দুর্নীতির কোনো

সুযোগ নেই। দুর্নীতি করব না, দুর্নীতি কাউকে করতে দেব না। পরিষ্কার কথা বলতে চাই।’

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের বাসাইলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম

শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি

এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘অল্প কিছুদিনের মধ্যেই স্থানীয় নির্বাচন আসবে। পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ

ও উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন। আমি আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই, আর সিলমারার

নির্বাচন হবে না। সংসদ নির্বাচনে সেটা প্রমাণ হয়েছে। আমাকে কি সিল মেরে এমপি

বানিয়েছেন? না ভোটে? আমাকে ভোটে বানিয়েছেন। অতএব, স্থানীয় সরকার নির্বাচনও ভোটে

হবে। কোনো সিল হবে না। তাই আপনাদের বলব, ভালো লোকদের নির্বাচিত করবেন। কোনো রকমের

হুমকি-ধামকির নির্বাচন হবে না। আপনারা ভালো মানুষকে প্রত্যেকটি জায়গায় নির্বাচিত

করবেন।’

তিনি বলেন, ‘দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলাদেশকে সাড়ে তিন বছরের মাথায় স্বনির্ভর বাংলাদেশ

হিসেবে বিশ্বের বুকে দাঁড় করিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দুর্ভিক্ষপীড়িত

বাংলাদেশকে এমন সমৃদ্ধ করেছিলেন যে বাংলাদেশ থেকে চাল রপ্তানি শুরু হয়েছিল। তিনি

বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে এমন সম্মানিত জাতি ও রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন

যে, তাকে চীন বীরোচিত সম্মান দিয়ে চীনে নিয়ে গিয়েছিল। চীন থেকে তিনি একা ফিরে

আসেননি, স্বীকৃতি নিয়ে ফিরে এসেছিলেন।’

মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন দুর্ভিক্ষপীড়িত ছিল, মানুষ এবং কুকুর

একসঙ্গে যখন খাবার খেত, মানুষ মারা গেলে কলাপাতা দিয়ে দাফন করা হতো, কাফনের কাপড়

পাওয়া যেত না, সেই দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশে রূপান্তরিত

করার জন্য তিনি কোরিয়াতে লোক পাঠিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পকে

সমৃদ্ধ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের ইরির আবাদ এনেছিলেন। এক বিঘা (৫৬ শতাংশ) জমিতে,

প্রতি শতাংশ জমিতে এক মণ ধান উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করেছিলেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের সরকার আজ দেশের শাসক নয়, দেশের

সেবক হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। দেশের সেবক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিদ্যুতের চরম সংকটের

সময় প্রধানমন্ত্রী তার দপ্তরে এসি চালাননি, এসি চালাতে দেননি। আমাদের দপ্তরেও এসি

চালাইনি, এসি চালাতে দেননি।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মিয়া,

উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, সাবেক সভাপতি এনামুল করিম

অটল, সাধারণ সম্পাদক নূরনবী আবু হায়াত খান নবু, সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব হোসেন,

বাসাইল পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ

পিন্টুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos