চীনের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ শ্যাংজির লিউশেনিউ কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। এই ঘটনায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৯০ জন এবং এখনো নিখোঁজ আছেন ৯ জন। সেই সঙ্গে আহতও হয়েছেন শতাধিক। শুক্রবার (২২ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে ঘটেছে এ বিস্ফোরণ। এ সময় খনিটিতে কাজ করছিলেন ২৪৭ জন শ্রমিক। চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার প্রতিবেদনে এই বিস্ফোরণকে
চীনের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ শ্যাংজির লিউশেনিউ কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। এই
ঘটনায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৯০ জন এবং এখনো নিখোঁজ আছেন ৯ জন। সেই সঙ্গে আহতও হয়েছেন
শতাধিক।
শুক্রবার (২২ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে ঘটেছে এ বিস্ফোরণ। এ সময়
খনিটিতে কাজ করছিলেন ২৪৭ জন শ্রমিক। চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার প্রতিবেদনে
এই বিস্ফোরণকে গত ১৭ বছরের মধ্যে ‘সর্ববৃহৎ খনি দুর্ঘটনা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিস্ফোরণের কিছু সময় পরেই উদ্ধার তৎপরতা
শুরু হয়। মোট ৩৫৪ জন উদ্ধারকর্মীর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এ তৎপরতা। শনিবার (২৩ মে)
স্থানীয় সময় ভোর থেকে খনি থেকে একে একে শ্রমিকদের বের করে আনা শুরু হয়। ৯০ জনকে মৃত
অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ৯ জনের সন্ধান পেতে এখনো সক্রিয় আছেন
উদ্ধারকর্মীরা।
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ জীবিত অবস্থায় যাদের উদ্ধার করা হয়েছে— তাদের
মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন সিসিটিভি এক প্রতিবেদেন জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পর
খনিটির ভেতরে ব্যাপকমাত্রায় বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের নিঃসরণ শুরু হয়।
মৃতের সংখ্যা এত বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ এটি।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক
সহায়তা এবং জীবিতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। ওই
খনিটির নিরাপত্তার দায়িত্বে যে কর্মকর্তা ছিলেন, তাকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা
হয়েছে।
শ্যাংজি চীনের সবচেয়ে দারিদ্র্যপীড়িত প্রদেশগুলোর মধ্যে একটি। একই সঙ্গে শ্যাংজি
দেশটির ‘কয়লার রাজধানী’নামে পরিচিত। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে চীনের খনিশ্রমিকদের
নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে, তবে তারপরও খনিগুলোতে দুর্ঘটনা বিরল কোনো
ব্যাপার নয়। মাঝে মাঝেই দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটে চীনে।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে চীনের উত্তরাঞ্চলীয় হেইলংজিয়াং প্রদেশের একটি খনিতে বিস্ফোরণে
নিহত হয়েছিলেন ১০৮ জন। সেই ঘটনাটি ‘চীনের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় খনি দুর্ঘটনা’ হিসেবে
স্বীকৃতি পেয়েছে।











