স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হামের টিকাদান কর্মসূচি লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি সাফল্য অর্জন করেছে এবং এটি বন্ধ না হয়ে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) সঙ্গে নিয়মিতভাবে চলবে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে হামের প্রাদুর্ভাবে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের করণীয় ও জনসচেতনতা শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সিভিল সার্জন, পরিচালক এবং হাসপাতাল সুপারদের
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হামের টিকাদান কর্মসূচি
লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি সাফল্য অর্জন করেছে এবং এটি বন্ধ না হয়ে সম্প্রসারিত
টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) সঙ্গে নিয়মিতভাবে চলবে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) জাতীয়
প্রেসক্লাবে হামের প্রাদুর্ভাবে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের করণীয় ও জনসচেতনতা
শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সিভিল সার্জন, পরিচালক এবং হাসপাতাল সুপারদের
টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটি ছাড়া অন্য সব
দিন টিকাদান কার্যক্রম চলবে এবং ছুটির দিনেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘কিছু প্রত্যন্ত এলাকায় লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে থাকার আশঙ্কা থাকায়
সেখানে বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে মাইকিং করা হচ্ছে এবং কঠোর নজরদারির মাধ্যমে শিশুদের
টিকাদানের আওতায় আনা হচ্ছে।’
মন্ত্রী আরও জানান, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল আগেভাগেই সংগ্রহ করা হয়েছে এবং টিকা
সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। টিউবারকিউলোসিস (টিবি) টিকার সিরিঞ্জ সংকট নিয়ে ছড়ানো
গুজবের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ১১ লাখ
৫ হাজার সিরিঞ্জ জেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে টেন্ডার ও আউটসোর্সিং খাতে
অনিয়মের কারণে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, যারা চিকিৎসা খাতকে
অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’ তবে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও কাজের পরিবেশ নিশ্চিতে
সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডাক্তারদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঈদের পরপরই প্রতিটি
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রসহ ১০ জন আনসার এবং একজন কমান্ডার মোতায়ন করা
হবে। জেলা পর্যায়ের হাসপাতালেও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’











