কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সিমান্তের রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চড়ুইকুড়ি (মরার পাড়া) গ্রামের মানুষিক ভারসাম্যহীন যুবক বকুল মন্ডল (৩৫) বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার ১৩ দিন পর ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন। মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তিনি ভুলবশত সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের কলকাতায় চলে যান। তিনি ওই এলাকার লুৎফর রহমান মন্ডলের ছেলে। বিজিবি ও পরিবার সূত্রে জানাযায়, গত ৩ মে বাড়ি থেকে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সিমান্তের রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চড়ুইকুড়ি (মরার পাড়া) গ্রামের
মানুষিক ভারসাম্যহীন যুবক বকুল মন্ডল (৩৫) বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার ১৩ দিন পর ভারত
থেকে দেশে ফিরেছেন। মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তিনি ভুলবশত সীমান্ত অতিক্রম করে
ভারতের কলকাতায় চলে যান। তিনি ওই এলাকার লুৎফর রহমান মন্ডলের ছেলে।
বিজিবি ও পরিবার সূত্রে জানাযায়, গত ৩ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন বকুল। পরে বিভিন্ন
স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ১২ মে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে কলকাতায় এক বাংলাদেশি যুবক অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকার ছবি ও তথ্য ছড়িয়ে পড়ে।
পরিবারের সদস্যরা সেই ছবি দেখে বকুলকে শনাক্ত করেন।
পরে শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিএসএফ তাকে আটক করে রাত ১০টা ২০ মিনিট থেকে
১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেইন পিলার ১৫৭/২-এস এর নিকট বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি
কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা
হয়।
বাংলাদেশের পক্ষে পতাকা বৈঠকে নেতৃত্ব দেন বিজিবির ৪৭ ব্যাটালিয়নের চরচিলমারী
কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মোশারফ হোসেন।
অন্যদিকে ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ১৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চরভদ্রা ক্যাম্পের
কোম্পানি কমান্ডার এসআই নিতিন কুমার। পরে আজ রোববার (১৭ মে) বেলা ১১ টায় বিজিবি
তাকে পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেয়।
ছেলের ফিরে আসা প্রসঙ্গে বকুলের বাবা লুৎফর রহমান মন্ডল বলেন, বকুল মানসিক
প্রতিবন্ধী। ছেলেটা নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম ওকে আর
ফিরে পাব না। ফেসবুকে ওর ছবি দেখে চিনতে পারি। বিজিবি ও স্থানীয় মেম্বারের সহায়তায়
আমার কলিজার টুকরোকে ফিরে পেয়েছি। আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ।
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ জানান, বকুল মানসিক
প্রতিবন্ধী হওয়ায় অসাবধানতাবশত সীমান্ত পার হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি জানার পর থেকেই
বিজিবির সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। সঠিক সমন্বয়ের মাধ্যমে তাকে দ্রুত উদ্ধার করা
সম্ভব হয়েছে।
বিজিবি’র চরচিলমারি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মোশারফ হোসেন বলেন, দুই দেশের
সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সমঝোতার মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে
তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।









