চট্টগ্রাম বন্দরে এলো ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুইটি ট্যাংকার

চট্টগ্রাম বন্দরে এলো ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুইটি ট্যাংকার

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মঙ্গলবার মধ্যরাতে ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুইটি বিশাল ট্যাংকার এসে পৌঁছেছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানি ইউনিপ্যাক ও ভিটল এশিয়ার সরবরাহকৃত এই জ্বালানির মধ্যে ‘এমটি টর্ম দামিনি’ জাহাজে ৩৩ হাজার টন এবং ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ জাহাজে ৩৫ হাজার টন তেল রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে বহির্নোঙরে কিছু তেল খালাস করার পর জাহাজ দুটি ডলফিন জেটিতে অবস্থান

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মঙ্গলবার মধ্যরাতে ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী

দুইটি বিশাল ট্যাংকার এসে পৌঁছেছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানি ইউনিপ্যাক ও ভিটল

এশিয়ার সরবরাহকৃত এই জ্বালানির মধ্যে ‘এমটি টর্ম দামিনি’ জাহাজে ৩৩ হাজার টন এবং

‘এমটি লুসিয়া সলিস’ জাহাজে ৩৫ হাজার টন তেল রয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বহির্নোঙরে কিছু তেল খালাস করার পর জাহাজ দুটি ডলফিন জেটিতে

অবস্থান নিয়ে অবশিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের

(বিপিসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে দৈনিক ডিজেলের গড় চাহিদা ১১ হাজার

টনেরও বেশি। উল্লেখ্য যে, গত ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মজুতকৃত ১ লাখ ১৯ হাজার টন

ডিজেল দিয়ে মাত্র ১০ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব ছিল। তবে নতুন এই বিশাল চালানের ফলে

জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি তেলের মজুত আরও অন্তত দুই সপ্তাহের জন্য বৃদ্ধি পাবে।

দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান

জানান, ‘ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসেছে, সামনে আরও আসবে। চুক্তিবদ্ধ সরবরাহকারীদের

পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। চলতি মাসে জ্বালানি তেলের

সরবরাহে কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।’ সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী,

নিয়মিত সরবরাহকারীদের বাইরেও বিকল্প আমদানির পথ সচল রাখায় বর্তমান মাসে জ্বালানি

সংকটের কোনো ঝুঁকি নেই। আমদানিকৃত তেলের নতুন চালানের আগমন অব্যাহত থাকায়

অভ্যন্তরীণ চাহিদার বিপরীতে সরবরাহের স্বাভাবিক গতি বজায় থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট

সূত্রে জানা গেছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos