পুঁজিবাজারে সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতা, লেনদেনে ঊর্ধ্বগতি

পুঁজিবাজারে সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতা, লেনদেনে ঊর্ধ্বগতি

দেশের পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহজুড়ে সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে সূচক কমলেও লেনদেনে কিছুটা ইতিবাচক গতি ছিল। আলোচ্য সময়ে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ০.৭০ শতাংশ কমেছে। এ সময় অধিকাংশ খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন দেখা যায়, যদিও দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশ। বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইএক্স

দেশের পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহজুড়ে সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে

সূচক কমলেও লেনদেনে কিছুটা ইতিবাচক গতি ছিল।

আলোচ্য সময়ে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক

ডিএসইএক্স ০.৭০ শতাংশ কমেছে। এ সময় অধিকাংশ খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন দেখা

যায়, যদিও দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশ।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইএক্স সূচক সপ্তাহের ব্যবধানে ৩৭ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট

কমে ৫ হাজার ৩১৬ পয়েন্টে নেমেছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৫ হাজার ৩৫৪ পয়েন্ট। একই সময়ে

ডিএস-৩০ সূচক ৩১ দশমিক ০৭ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। শরিয়াহভিত্তিক

ডিএসইএস সূচকও ৬ দশমিক ৯০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৪ পয়েন্টে নেমেছে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৯১টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের লেনদেন হয়েছে।

এর মধ্যে ১৮১টির দর বেড়েছে, ১৭৩টির কমেছে এবং ৩৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল। ২২টির কোনো

লেনদেন হয়নি। সূচক পতনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রেখেছে ব্র্যাক ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক,

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, রবি এবং গ্রামীণফোনের শেয়ার।

লেনদেনের দিক থেকে গত সপ্তাহে দৈনিক গড়ে ৫৪৮ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট

হাতবদল হয়েছে, যেখানে আগের সপ্তাহে ছিল ৪৯১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ফলে এক সপ্তাহে গড়

লেনদেন ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা, সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট এবং

মূল্যস্ফীতির চাপ বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে তুলেছে। এ কারণে বাজারে ধীরগতি দেখা

গেলেও ক্রয় আগ্রহ পুরোপুরি কমে যায়নি, তবে অনিশ্চয়তার প্রভাব সূচকে পড়েছে।

খাতভিত্তিক লেনদেনে ব্যাংক খাত শীর্ষে ছিল, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ দখল

করে। এরপর ওষুধ ও রসায়ন খাত ১২ দশমিক ৭৫ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয়, প্রকৌশল খাত ১২ দশমিক

৫৫ শতাংশ নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। বস্ত্র খাত ৮ দশমিক ৪০ শতাংশ নিয়ে চতুর্থ এবং

মিউচুয়াল ফান্ড খাত ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে ছিল।

গত সপ্তাহে সাতটি খাত বাদে প্রায় সব খাতেই নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এর মধ্যে

টেলিযোগাযোগ খাতে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ১৪ শতাংশ পতন হয়েছে। এছাড়া ব্যাংক খাতে ১ দশমিক

৯২ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন ছিল।

অন্যদিকে, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৫১ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন দেখা

গেছে। পাশাপাশি সাধারণ বীমা খাতে ২ দশমিক ২০ এবং সিরামিক খাতে ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ

রিটার্ন অর্জিত হয়েছে।

চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই প্রবণতা দেখা গেছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই

০.৭৭ শতাংশ কমে ১৪ হাজার ৯১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসসিএক্স সূচকও ০.৭০ শতাংশ কমে ৯

হাজার ১০২ পয়েন্টে নেমেছে।

সিএসইতে সপ্তাহজুড়ে ৩৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের

সপ্তাহের ৪০ কোটি ৬ লাখ টাকার তুলনায় কম। এখানে লেনদেন হওয়া ২১৭টি কোম্পানি ও

মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১০৭টির দর বেড়েছে, ৮৮টির কমেছে এবং ২২টির দর অপরিবর্তিত

ছিল।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos