পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয়ের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সর্বশেষ প্রকাশিত টেস্ট র্যাংকিংয়ে। বুধবার আইসিসি কর্তৃক প্রকাশিত সাপ্তাহিক হালনাগাদে দেখা গেছে, বাংলাদেশের এই জয়ের মূল কারিগররা ব্যক্তিগত র্যাংকিংয়ে বড় ধরনের উন্নতি করেছেন। বিশেষ করে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং তরুণ পেসার নাহিদ রানা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ নিজেদের অবস্থান আগের
পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয়ের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সর্বশেষ প্রকাশিত টেস্ট র্যাংকিংয়ে।
বুধবার আইসিসি কর্তৃক প্রকাশিত সাপ্তাহিক হালনাগাদে দেখা গেছে, বাংলাদেশের এই জয়ের
মূল কারিগররা ব্যক্তিগত র্যাংকিংয়ে বড় ধরনের উন্নতি করেছেন। বিশেষ করে অধিনায়ক
নাজমুল হোসেন শান্ত এবং তরুণ পেসার নাহিদ রানা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের
স্বীকৃতিস্বরূপ নিজেদের অবস্থান আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী করে নিয়েছেন।
টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত টেস্ট ব্যাটারদের র্যাংকিংয়ে একলাফে ১৬ ধাপ
এগিয়েছেন। বর্তমানে তিনি ২৩ নম্বর অবস্থানে রয়েছেন, যা তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা
রেটিং ও অবস্থান। মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০১ রানের অনবদ্য সেঞ্চুরি এবং
দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৭ রানের লড়াকু ইনিংস খেলার মাধ্যমে তিনি দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব
দেন। ম্যাচ সেরার পুরস্কার পাওয়ার পাশাপাশি আইসিসির এই নতুন তালিকায় তাঁর এই উত্তরণ
বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এক বড় প্রাপ্তি।
দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হকও ব্যাটারদের র্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি
করেছেন। মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৯১ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রান করার সুবাদে তিনি
১২ ধাপ এগিয়েছেন। বর্তমানে টেস্ট ব্যাটারদের তালিকায় তাঁর অবস্থান ৩৫ নম্বরে। টপ
অর্ডারে শান্ত ও মুমিনুলের এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্স কেবল দলের জয় নিশ্চিত করেনি,
বরং বিশ্ব ক্রিকেটে তাঁদের ব্যক্তিগত মর্যাদাও বৃদ্ধি করেছে।
বোলিং বিভাগেও অগ্রগতির চিত্র ফুটে উঠেছে আইসিসির এই তালিকায়। মিরপুর টেস্টের
দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৪০ রানে ৫ উইকেট শিকার করে আলোড়ন সৃষ্টি করা গতিদানব নাহিদ
রানা ৫ ধাপ এগিয়ে বর্তমানে ৬৪ নম্বর অবস্থানে উঠে এসেছেন। এছাড়া দুই ইনিংস মিলিয়ে
৪টি করে উইকেট নেওয়া তাসকিন আহমেদ এবং স্পিনার তাইজুল ইসলামের র্যাংকিংয়েও ইতিবাচক
পরিবর্তন এসেছে। বোলারদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মিরপুর টেস্টে পাকিস্তান দলকে
অলআউট করা সম্ভব হয়েছিল, যার সুফল এখন র্যাংকিংয়ে দেখা যাচ্ছে।











