মে মাসেই প্রেক্ষাগৃহে আসছে রোশান-বুবলীর ‘সর্দারবাড়ির খেলা’

মে মাসেই প্রেক্ষাগৃহে আসছে রোশান-বুবলীর ‘সর্দারবাড়ির খেলা’

আগামী ৮ মে সারা দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘সর্দারবাড়ির খেলা’। অনেক প্রতীক্ষার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ ট্রেলার প্রকাশের মাধ্যমে সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়। এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটি হিসেবে হাজির হচ্ছেন জিয়াউল রোশান ও শবনম বুবলী। লোকজ সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ লাঠিখেলা ও প্রান্তিক মানুষের

আগামী ৮ মে সারা দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত

চলচ্চিত্র ‘সর্দারবাড়ির খেলা’। অনেক প্রতীক্ষার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ

ট্রেলার প্রকাশের মাধ্যমে সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়। এই

সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটি হিসেবে হাজির হচ্ছেন জিয়াউল রোশান ও

শবনম বুবলী। লোকজ সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ লাঠিখেলা ও প্রান্তিক মানুষের

জীবনসংগ্রামকে উপজীব্য করে সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা ও লাঠিয়ালদের পারিবারিক

সংকটকে কেন্দ্র করে। এতে একজন নামকরা লাঠি খেলোয়াড়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রোশান,

যাকে চরম অভাবের কারণে সংসারের আসবাবপত্র পর্যন্ত বন্ধক রাখতে হয়। অন্যদিকে, তাঁর

স্ত্রী তরুলতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী। সংসারের সচ্ছলতা ফেরাতে তরুলতা

বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও মানব পাচারকারী দালালের খপ্পরে পড়ে তাঁর জীবন এক

বিষাদময় পরিণতির দিকে ধাবিত হয়।

রাখাল সবুজের পরিচালনায় ‘সর্দারবাড়ির খেলা’ তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।

২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পাওয়া এই সিনেমাটির নির্মাণকাজ বেশ আগেই শেষ

হয়েছিল। মাঝপথে এর নাম পরিবর্তন করে ‘পুলসিরাত’ রাখা হলেও প্রিভিউ কমিটির আপত্তির

মুখে নির্মাতা পুনরায় আগের নামে ফিরে আসেন। সিনেমায় রোশান ও বুবলী ছাড়াও

গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন গুণী অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম ও আজাদ

আবুল কালামসহ আরও অনেকে।

পরিবেশক সংস্থা টাইগার মিডিয়ার পক্ষ থেকে ট্রেলার প্রকাশ করা হলেও সিনেমাটির প্রচার

নিয়ে প্রধান অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমনকি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও রোশান বা বুবলীকে এই সিনেমা নিয়ে কোনো পোস্ট শেয়ার করতে

দেখা যায়নি। একই চিত্র দেখা গেছে নির্মাতা ও প্রযোজকের ক্ষেত্রেও। গত বছরের রোজার

ঈদে মুক্তির কথা থাকলেও পিছিয়ে যাওয়া এই সিনেমাটি অবশেষে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে

দর্শকদের সামনে আসছে।

বাংলার বিলুপ্তপ্রায় লোকজ ঐতিহ্য এবং লড়াকু মানুষের বাস্তবসম্মত চিত্রায়নের ফলে

সিনেমাটি দর্শকদের মনে জায়গা করে নেবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বড় পর্দার নিয়মিত

অ্যাকশন বা রোমান্টিক গল্পের বাইরে লাঠিখেলার মতো একটি ব্যতিক্রমী বিষয়কে কেন্দ্র

করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি বাংলা সিনেমায় নতুনত্ব যোগ করবে। এখন দেখার বিষয়,

প্রচারণার ঘাটতি কাটিয়ে মুক্তির পর বক্স অফিসে সিনেমাটি কতটা সাড়া ফেলতে পারে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos