রাশিয়া থেকে সরকারি চুক্তির অধীনে ৩৫ হাজার টন মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সার আমদানির বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। এই সার আমদানিতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ব্যয় হবে মোট ১৫৬ কোটি ৭৩ লাখ ৭৬ হাজার
রাশিয়া থেকে সরকারি চুক্তির অধীনে ৩৫ হাজার টন মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সার
আমদানির বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত
মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। এই সার আমদানিতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার
থেকে ব্যয় হবে মোট ১৫৬ কোটি ৭৩ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ টাকা।
বৈঠক পরবর্তী এক বিজ্ঞপ্তিতে অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন
করপোরেশন (বিএডিসি) এবং রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান ‘ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন
(প্রোডিনটর্গ)’-এর মধ্যে সম্পাদিত সমঝোতার ভিত্তিতে এই সার সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু
হচ্ছে। সারের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ও চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৬৮
দশমিক ১৩ ডলার হিসেবে মোট ১ কোটি ২৮ লাখ ৮৪ হাজার ৫৫০ মার্কিন ডলার ব্যয় নির্ধারণ
করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পূর্বতন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর গত বছরের ২৪ জুলাই
রাশিয়ার উক্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি নবায়ন করে সরকার। কৃষি
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই
এই মূল্য স্থির করা হয়েছে। বিএডিসির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৮ লাখ
৫৯ হাজার টন এমওপি সার আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় একটি অংশ অর্থাৎ ৪ লাখ ৫৫
হাজার টন রাশিয়া থেকে আসার কথা রয়েছে। এই পদক্ষেপ দেশের কৃষি উৎপাদনে সারের সরবরাহ
নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।











