বেড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে মাদকসেবীদের আড্ডা, আতঙ্কে বাসিন্দারা

বেড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে মাদকসেবীদের আড্ডা, আতঙ্কে বাসিন্দারা

পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো এখন অপরাধ ও মাদকসেবীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। উপজেলার হাটুরিয়া-নাকালিয়া, বক্তারপুর ও কুশিয়ারা অরণ্য প্রকল্পের অনেক ঘর ঢালাওভাবে বরাদ্দ হলেও ব্যবহার না করায় সেখানে দিনরাত চলে মাদক, জুয়া ও অপরাধের অন্নস্থাদা। এর ফলে আশেপাশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সরেজমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বক্তারপুর

পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো এখন অপরাধ ও মাদকসেবীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। উপজেলার হাটুরিয়া-নাকালিয়া, বক্তারপুর ও কুশিয়ারা অরণ্য প্রকল্পের অনেক ঘর ঢালাওভাবে বরাদ্দ হলেও ব্যবহার না করায় সেখানে দিনরাত চলে মাদক, জুয়া ও অপরাধের অন্নস্থাদা। এর ফলে আশেপাশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সরেজমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বক্তারপুর প্রকল্পের ৭২টি ঘরের মধ্যে ৩৬টি এবং কুশিয়ারা প্রকল্পের ৮৯টি ঘরের মধ্যে ৫১টি বর্তমানে ফাঁকা পড়ে রয়েছে। এতে অভিযোগ উঠছে যে, প্রকৃত ভূমিহীনদের পরিবর্তে অনেক প্রভাবশালী ও বিত্তবানদের নামে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার কারণে তারা সেখানে বসবাস করছেন না। এর সুযোগ নিয়ে কিছু প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে ঘরগুলো দখল করে মাদকবাণিজ্য ও সেবনের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই এলাকাস্থ এক বাসিন্দা বলেন, ‘যাদের নামে ঘর বরাদ্দ হয়েছে, তারা অনেকেই এখানে আসেন না। দীর্ঘদিন ধরে ঘরগুলো খালি থাকায় রাতের সময় বহিরাগত ও মাদকসেবীরা অসংখ্যভাবে উপস্থিত হয়। প্রতিবাদ করলেও তাদের হুমকি-মুচকি দেওয়ার জন্য হয়। আমরা এখন আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বিগ্ন।’

অপর দিকে, বেড়া মডেল থানার ওসি নিতাই চন্দ্র সরকার জানান, আশ্রয়ণ প্রকল্পে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে পুলিশ নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানো হবে। অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ ব্যাপারে বেড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরেন মাইশা খান বলেন, ‘ঘরগুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। যারা বরাদ্দ পানেও ঘরে থাকছেন না, তাদের বরাদ্দ বাতিল করে প্রকৃত ভূমিহীনদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঘরগুলো তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর দাবি, শুধু অভিযান চালানোর ওপরই নির্ভর না করে, প্রকৃত ভূমিহীনদের পুনর্বাসন ও নিয়মিত প্রশাসনিক তদারকি বজায় রাখাই এই সামাজিক অস্থিরতা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos