জয়পুরহাটে পাহারাদারকে বেঁধে তিন ট্রান্সফরমার চুরি

জয়পুরহাটে পাহারাদারকে বেঁধে তিন ট্রান্সফরমার চুরি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় একটি অগভীর নলকূপের পাহারাদারকে মারধরের পর হাত-পা ও মুখ বেঁধে রেখে তিনটি ট্রান্সফরমার থেকে তামার তার চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা। গত রোববার (১৯ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের নওদুয়ারী ফসলি মাঠে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল সোমবার সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় পাহারাদার আবদুর রশিদ মিলনকে (৪০) উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় একটি অগভীর নলকূপের পাহারাদারকে মারধরের পর হাত-পা ও

মুখ বেঁধে রেখে তিনটি ট্রান্সফরমার থেকে তামার তার চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা। গত

রোববার (১৯ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের নওদুয়ারী ফসলি মাঠে এ

ঘটনা ঘটে। গতকাল সোমবার সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় পাহারাদার আবদুর রশিদ মিলনকে (৪০)

উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে রুকিন্দীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের

সদস্য ছাইদুল ইসলাম ওরফে ছানু থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইউপি সদস্য ছাইদুল ইসলামের নওদুয়ারী ফসলি মাঠের

আলীগাঁও সেতু নামক স্থানে একটি বৈদ্যুতিক অগভীর নলকূপ স্থাপন করে সেচকাজ চালানো

হচ্ছিল। রোববার (১৯ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে ৫-৬ জনের একটি

দল নলকূপের ঘরের বেড়া ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এরপর পাহারাদার আবদুর রশিদকে বেধড়ক মারধর

করে তাঁর হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে বৈদ্যুতিক পোল থেকে তিনটি ট্রান্সফরমার নিচে

নামিয়ে ভেতরের তামার তার খুলে নিয়ে যায়। অভিযোগে তিনটি ট্রান্সফরমারের আনুমানিক

মূল্য দেড় লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বৈদ্যুতিক পোলের নিচে তিনটি

ট্রান্সফরমারের খালি বোতল পড়ে আছে। নলকূপের ঘরের ভেতরে বিছানাপত্রে রক্তের দাগ দেখা

গেছে।

গুরুতর আহত আব্দুর রশিদ হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, তিনি অগভীর নলকূপের ঘরে ঘুমিয়ে

ছিলেন। রাত আনুমানিক ৩ থেকে সাড়ে তিনটার দিকে ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত ঘরের বেড়া ভেঙে

ভেতরে ঢুকে তাকে বেধড়ক মারধরের পর হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। তারা বৈদ্যুতিক পোল

থেকে তিনটি ট্রান্সফরমার খুলে নিচে নামিয়ে তামার তার বের করে পালিয়ে যায়।

রুকিন্দীপুর ইউপির সদস্য মো. ছাইদুর ইসলাম ‎বলেন, ‘আমার ছোট ভাই আবদুর রশিদ সারা

রাত অগভীর নলকূপ পাহারা শেষে প্রতিদিন ভোরে বাড়িতে ফিরতেন। অনেক বেলা হলেও বাড়ি

আসছিল না। তখন অগভীর নলকূপে গিয়ে দেখি পোলের নিচে তিনটি ট্রান্সফরমারের খালি বোতল

পড়ে আছে। ঘরের ভেতর আমার ছোট ভাই হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে আছে। তাঁর হাত

দিয়ে রক্ত ঝরছিল। দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। এ ঘটনায় থানায়

একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

আক্কেলপুর থানার ওসি শাহীর রেজা বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এ ঘটনায় তদন্ত

সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos