ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে ফের মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে নেওয়া হয়েছে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনিকে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় সোমবার (২৯ জুন) দুপুরের দিকে তাঁকে আবার মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়। এর আগে সোমবার (২৯ জুন) ভোরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে মুন্সীগঞ্জ
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে ফের মুন্সীগঞ্জ জেলা
কারাগারে নেওয়া হয়েছে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম
সাধারণ সম্পাদক দীপু মনিকে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় সোমবার (২৯ জুন) দুপুরের
দিকে তাঁকে আবার মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়।
এর আগে সোমবার (২৯ জুন) ভোরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে মুন্সীগঞ্জ
জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।
মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মুহাম্মদ এনায়েত উল্ল্যাহ জানান, প্রায় ৫ মাস
আগে দীপু মনিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আনা হয়। তিনি আগে থেকেই অ্যালার্জির
সমস্যায় ভুগছিলেন। গত রোববার রাত থেকে অসুস্থ বোধ করায় সোমবার (২৯ জুন) ভোরে তাকে
হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁকে ভর্তি করতে হয়নি।
প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় দুপুরের দিকে তাঁকে আবার
কারাগারে নিয়ে আসা হয়। দুপুর ১টার দিকে তিনি কারাগারে পৌঁছান।
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. আরিফুজ্জামান জানান, দীপু
মনি কিডনিসংক্রান্ত সমস্যাতেও ভুগছিলেন। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তাঁকে হাসপাতালে আনা
হয়। সকাল ৬টা পর্যন্ত চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রসঙ্গত, দীপু মনি চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার
অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গ্রেপ্তার হন দীপু মনি। বর্তমানে একাধিক
মামলায় তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।











