বাংলাদেশ-ফিলিপাইন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদারে নতুন রোডম্যাপ প্রকাশ

বাংলাদেশ-ফিলিপাইন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদারে নতুন রোডম্যাপ প্রকাশ

বাংলাদেশ এবং ফিলিপাইন মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য একটি কৌশলগত উদ্যোগ হিসেবে ‘ব্রিজিং নেশনস, বিল্ডিং প্রসপারিটি’ শিরোনামের একটি রোডম্যাপ সম্প্রতি বাংলাদেশ-ফিলিপাইনস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিপিসিসিআই) প্রকাশ করেছে। এই রোডম্যাপের উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সহযোগিতা যথেষ্টভাবে উন্নীত করা। এটি উদ্বোধন করার জন্য রাজধানীর বারিধারার এক অভিজাত হোটেলে উচ্চ পর্যায়ের এক

বাংলাদেশ এবং ফিলিপাইন মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য একটি কৌশলগত উদ্যোগ হিসেবে ‘ব্রিজিং নেশনস, বিল্ডিং প্রসপারিটি’ শিরোনামের একটি রোডম্যাপ সম্প্রতি বাংলাদেশ-ফিলিপাইনস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিপিসিসিআই) প্রকাশ করেছে। এই রোডম্যাপের উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সহযোগিতা যথেষ্টভাবে উন্নীত করা। এটি উদ্বোধন করার জন্য রাজধানীর বারিধারার এক অভিজাত হোটেলে উচ্চ পর্যায়ের এক সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

প্রকল্পের উপস্থাপন করেন বিপিসিসিআইয়ের উপদেষ্টা হুমায়ুন রশিদ। তিনি জানিয়েছেন, এই রোডম্যাপে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর। এসব খাতে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বাড়িয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করে তুলতে চায় সংগঠনটি।

রোডম্যাপে উঠে এসেছে বাংলাদেশের সঙ্গে ফিলিপাইনের অংশীদারিত্বের সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ, যেমন, দক্ষতা বিনিময়, যৌথ বিনিয়োগ এবং টেকসই বৃদ্ধি। বিশেষ করে, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডরের জন্য তিনটি অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করা হয়েছে: কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন ও সংযোগ, এবং স্বাস্থ্যসেবা ও দক্ষতা উন্নয়ন।

এই খাতগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে প্রযুক্তি বিনিময়, যৌথ উদ্যোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দু দেশের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ নিশ্চিতভাবেই উপকৃত হবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফিলিপাইন রাষ্ট্রদূত নিনা পি. ক্যাইনলেট। তিনি বাংলাদেশের সাথে ফিলিপাইনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং বিস্তৃত অংশীদারিত্বের কথা তুলে ধরে আগামী বছর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অতিথির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে রয়েছে অনেক সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক খাত, যেগুলোর পূর্ণ সম্ভাবনা এখনো সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগানো যায়নি। তিনি যুক্ত করেন, সাম্প্রতিক বৈদেশিক নীতি সংলাপে নাবিকদের সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি, নার্সিং শিক্ষার উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সম্পর্কিত বিভিন্ন চুক্তির স্বাক্ষর অপ্রত্যাশিত নয়।

সংক্ষিপ্তভাবে, উভয় পক্ষ কূটনৈতিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে একসাথে কাজ করার সংকল্প প্রকাশ করেছেন। এতে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও ব্যবসার সুযোগ বাড়বে ও বিভিন্ন কৌশলগত খাতে যৌথ প্রবৃদ্ধির পথ সুগম হবে বলে প্রত্যাশা জোরদার করা হয়।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos