ইতালির পর এবার উত্তর আমেরিকায় সিয়ামের ‘রাক্ষস’

ইতালির পর এবার উত্তর আমেরিকায় সিয়ামের ‘রাক্ষস’

পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের প্রেক্ষাগৃহে সাড়া জাগানো রোমান্টিক অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা ‘রাক্ষস’ এবার আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজের জয়যাত্রা শুরু করেছে। গত ৬ এপ্রিল সোমবার ইউরোপের দেশ ইতালির রাজধানী রোমের অন্যতম জনপ্রিয় প্রেক্ষাগৃহ ‘সিনেমা ব্রডওয়ে’-তে ছবিটির আনুষ্ঠানিক মুক্তি দেওয়া হয়। প্রথম প্রদর্শনী থেকেই সেখানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি ও স্থানীয় দর্শকদের কাছ থেকে অভাবনীয় সাড়া পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত সিনেমার

পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের প্রেক্ষাগৃহে সাড়া জাগানো রোমান্টিক অ্যাকশন থ্রিলার

সিনেমা ‘রাক্ষস’ এবার আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজের জয়যাত্রা শুরু করেছে। গত ৬

এপ্রিল সোমবার ইউরোপের দেশ ইতালির রাজধানী রোমের অন্যতম জনপ্রিয় প্রেক্ষাগৃহ

‘সিনেমা ব্রডওয়ে’-তে ছবিটির আনুষ্ঠানিক মুক্তি দেওয়া হয়। প্রথম প্রদর্শনী থেকেই

সেখানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি ও স্থানীয় দর্শকদের কাছ থেকে অভাবনীয় সাড়া

পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশন। সিনেমাটির

গল্প ও নির্মাণশৈলী বিদেশের মাটিতেও দর্শককে মুগ্ধ করেছে বলে জানানো হয়েছে।

তরুণ নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়ের পরিচালনায় নির্মিত এই সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে

অভিনয় করেছেন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। তাঁর বিপরীতে নায়িকা

হিসেবে দেখা গেছে ওপার বাংলার প্রতিভাবান অভিনেত্রী সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়কে। আজিম

হারুন ও শাহরীন আক্তার সুমির প্রযোজনায় সিনেমাটি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এখন ইউরোপ ও

উত্তর আমেরিকার দর্শক মাতাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়

জানিয়েছেন, দেশের মাল্টিপ্লেক্স ও সিঙ্গেল স্ক্রিনে অভূতপূর্ব সাফল্যের পর বিদেশের

মাটিতেও ‘রাক্ষস’ টিম ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে। হল মালিকদের পক্ষ থেকে ক্রমাগত ভালো খবর

আসায় ছবির সাথে সংশ্লিষ্টরা অত্যন্ত আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।

ইতালির পর এবার উত্তর আমেরিকার বিশাল বাজার দখল করতে যাচ্ছে এই চলচ্চিত্রটি। আগামী

১৭ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে ‘রাক্ষস’ প্রদর্শিত হবে। উত্তর

আমেরিকায় এই সিনেমাটির পরিবেশনার দায়িত্ব নিয়েছে গ্যালাক্সি মিডিয়া। প্রতিষ্ঠানটির

কর্ণধার বদরুদ্দোজা সাগর জানিয়েছেন, তাঁরা পর্যায়ক্রমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের

বিভিন্ন স্টেটে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন,

‘রাক্ষস’-এর মতো শক্তিশালী ও ভিন্নধর্মী গল্পের সিনেমা উত্তর আমেরিকার দর্শকদের

কাছে এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডার বিভিন্ন

বড় শহরেও সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

সিনেমার বিষয়বস্তু নিয়ে নির্মাতা জানিয়েছেন যে, ‘রাক্ষস’ কেবল একটি প্রথাগত অ্যাকশন

সিনেমা নয়; এটি মানুষের মনের গহীন অন্ধকার দিক এবং সুকৌশলী প্রতিশোধের এক দুর্দান্ত

আখ্যান। এর চমৎকার ভিজ্যুয়াল এফেক্ট এবং টানটান উত্তেজনা দর্শকদের জন্য সম্পূর্ণ

নতুন এক সিনেম্যাটিক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। মূলত প্রবাসী বাংলাদেশিরা যেন বিদেশের

মাটিতে বসে নিজ দেশের গুণগত মানের বিনোদন উপভোগ করতে পারেন, সেই চিন্তা থেকেই এই

বৈশ্বিক মুক্তির পরিকল্পনা। চলচ্চিত্রটির কারিগরি মান ও আধুনিকায়ন নিশ্চিত করতে এর

দৃশ্যধারণ করা হয়েছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং ভারতের মুম্বাইয়ের বিভিন্ন মনোরম

লোকেশনে।

এটি পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়ের দ্বিতীয় সিনেমা। এর আগে তিনি তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র

‘বরবাদ’ নির্মাণ করে দর্শক ও সমালোচকদের নজরে এসেছিলেন। দ্বিতীয় সিনেমাতেই তিনি

আন্তর্জাতিক বাজারের দিকে নজর দেওয়ায় ঢালিউডের বাণিজ্যে নতুন এক মাত্রা যুক্ত

হয়েছে। প্রযোজনা সংস্থা সূত্রে আরও জানা গেছে, ইতালি এবং উত্তর আমেরিকা ছাড়াও

বিশ্বের আরও বেশ কয়েকটি দেশে ‘রাক্ষস’ মুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা চলছে। সিয়াম

আহমেদের শক্তিশালী অভিনয় আর আধুনিক নির্মাণশৈলীর মেলবন্ধনে ‘রাক্ষস’ বিশ্বমঞ্চে

বাংলা সিনেমার অবস্থান আরও দৃঢ় করবে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos