সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে প্রথমে শক্তিশালী উত্থান দেখা গেলেও শেষ পর্যন্ত দামের পতনের প্রবণতা বেশি প্রকাশ পেল। তবে শেষ পর্যন্ত প্রধান সূচক বেড়েছে দুজনেই, যদিও লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) বাজারের প্রথম ভাগে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়তে থাকায় ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়। তিন শতাধিক কোম্পানির দর বৃদ্ধির ফলে এক সময়ে
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে প্রথমে শক্তিশালী উত্থান দেখা গেলেও শেষ পর্যন্ত দামের পতনের প্রবণতা বেশি প্রকাশ পেল। তবে শেষ পর্যন্ত প্রধান সূচক বেড়েছে দুজনেই, যদিও লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) বাজারের প্রথম ভাগে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়তে থাকায় ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়। তিন শতাধিক কোম্পানির দর বৃদ্ধির ফলে এক সময়ে প্রধান সূচক ৭০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায় এবং দুই ঘণ্টা পর্যন্ত এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা চলছিল। তবে দুপুর ১২টার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন শুরু হয়। দামের বৃদ্ধির তালিকা থেকে অনেক প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে কমতির দিকে চলে যায়। লেনদেনের শেষার্ধে এই পতন আরও তীব্র হয়, ফলে দিনশেষে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দামের পতন ঘটেছে। দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ১৪৯টির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, অপরদিকে ১৭২টির দর কমেছে এবং ৬৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো মানের কোম্পানিগুলোর মধ্যে (১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়ার) ৮৭টির দাম বেড়েছে, ৭৬টির কমেছে, এবং ৩৮টির দাম অপরিবর্তিত। মাঝারি মানের কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৬টির দর বাড়লেও ৪১টির দর কমেছে, এবং ১৪টি অপরিবর্তিত রয়েছে। জেড গ্রুপের কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৬টির শেয়ার মূল্য বেড়েছে, ৫৫টির দর কমেছে, এবং ১৬টির দাম অপরিবর্তিত। অন্যদিকে, মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৩টির দর বেড়েছে, ৬টির কমেছে এবং ১৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমলেও ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স পূর্বের দিনের চাইতে ১০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১২২ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৫৪ পয়েন্টে উঠলেও শরিয়াহ সূচক হালকা কমে ১ হাজার ৪০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেনের পরিমাণও কমে এসেছে। দিন শেষে বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৭০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা কম। শীর্ষ লেনদেনের প্রতিষ্ঠান ছিল ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, যার লেনদেন হয় ১৫ কোটি ৮১ লাখ টাকার। এরপর রয়েছে একমি পেস্টিসাইড এবং সামিট এলায়েন্স পোর্ট। আরও অন্যান্য বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে লেনদেন বেশি হয়েছে, তা হলো খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, টেকনো ড্রাগস, জিকিউ বলপেন, লাভেলো আইসক্রিম, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, জনতা ইন্স্যুরেন্স ও রানার অটোমোবাইল। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক সামান্য বেড়ে ৮ পয়েন্ট হয়েছে। এই বাজারে অংশ নেওয়া ১৭৩ কোম্পানির মধ্যে ৬৩টির দর বেড়েছে, ৮৬টির দর কমেছে, এবং ২৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। এই বাজারে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কম।











