দীর্ঘ ১৭ বছরের দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে অবশেষে ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। আগামী ২০২৭ সালের মে মাসের শেষ দিকে এই একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) বাইরে আয়োজিত এই দ্বিপক্ষীয় ম্যাচের সম্ভাব্য সময় চূড়ান্ত হলেও ভেন্যু নির্ধারণের বিষয়টি এখনও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে।
দীর্ঘ ১৭ বছরের দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে অবশেষে ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে
যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। আগামী ২০২৭ সালের মে মাসের শেষ দিকে এই একমাত্র টেস্ট
ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি)
বাইরে আয়োজিত এই দ্বিপক্ষীয় ম্যাচের সম্ভাব্য সময় চূড়ান্ত হলেও ভেন্যু নির্ধারণের
বিষয়টি এখনও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে। তবে লন্ডনের
ঐতিহাসিক লর্ডস অথবা ওভালেই এই একমাত্র টেস্টটি আয়োজন করার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্প্রতি লর্ডসের উইকেট নিয়ে ক্রিকেট মহলে বেশ সমালোচনা শুরু হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের
বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক টেস্ট ম্যাচটি চার দিনে শেষ হলেও সেখানে খেলা
হয়েছিল মাত্র ১৬৬ ওভার। এই অতিরিক্ত বোলিং সহায়ক উইকেটের কারণে টেস্ট
চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচটি লর্ডস থেকে ওভালে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে
ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ফাইনাল ম্যাচটি যদি ওভালে
স্থানান্তরিত হয়, তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি ঐতিহ্যবাহী লর্ডস
ক্রিকেট গ্রাউন্ডেই আয়োজন করা হবে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দুটি টেস্ট খেলতে প্রথমে
বাংলাদেশ সফরে আসবে ইংল্যান্ড দল, যার ভেন্যু ঢাকা ও চট্টগ্রাম। এরপর মার্চে টেস্ট
ক্রিকেটের ঐতিহাসিক ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি বিশেষ টেস্ট
খেলবে ইংলিশরা। এরপর মে মাসে নিজেদের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের পর
অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। ২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই টানা
নয়টি টেস্ট খেলার কথা রয়েছে ইংল্যান্ডের। মূলত ঐতিহ্যবাহী অ্যাশেজ সিরিজের আগে
বাংলাদেশের বিপক্ষে এই ম্যাচটি বেন স্টোকসদের জন্য লাল বলের ক্রিকেটে নিজেদের
ঝালিয়ে নেওয়ার একটি বড় সুযোগ তৈরি করবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দল সবশেষ ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলেছিল।
দুই ম্যাচের সেই সিরিজে ব্যাক-টু-ব্যাক সেঞ্চুরি করে ক্রিকেট বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি
করেছিলেন ওপেনার তামিম ইকবাল এবং বল হাতে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন সাকিব আল হাসান।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর যখন বাংলাদেশ আবারও ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে, তখন ২০১০ সালের
সেই ঐতিহাসিক সফরের স্কোয়াড থেকে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে বর্তমানে টেস্ট দলে
সক্রিয় রয়েছেন উইকেটকিপার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।











