ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের আর্থিক নিরাপত্তার স্বার্থে এবং সম্ভাব্য জালিয়াতি এড়াতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি কিছু অননুমোদিত প্রতিষ্ঠান সাধারণ প্লাস্টিক কার্ডকে আকর্ষণীয় মেটাল কার্ডে বদলে দেওয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে, যাকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টে এক বার্তার মাধ্যমে গ্রাহকদের এই বিষয়ে
ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের আর্থিক নিরাপত্তার স্বার্থে এবং সম্ভাব্য
জালিয়াতি এড়াতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি কিছু
অননুমোদিত প্রতিষ্ঠান সাধারণ প্লাস্টিক কার্ডকে আকর্ষণীয় মেটাল কার্ডে বদলে দেওয়ার
প্রলোভন দেখাচ্ছে, যাকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টে
এক বার্তার মাধ্যমে গ্রাহকদের এই বিষয়ে সচেতন করা হয়। কোনো তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে
কার্ডের রূপ পরিবর্তন করা নিরাপত্তাগতভাবে চরম বিপদজনক হতে পারে।
সতর্কবার্তায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে যে, বর্তমানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ‘কিছু
অননুমোদিত তৃতীয় পক্ষের (থার্ড-পার্টি) প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ডেবিট ও ক্রেডিট
প্লাস্টিক কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তরের প্রলোভন দেখাচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায়
গ্রাহকের কার্ড নম্বর, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, সিভিভি (CVV)-সহ সংবেদনশীল তথ্য
উক্ত প্রতিষ্ঠানের কাছে শেয়ার করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।’ যেহেতু এসব
প্রতিষ্ঠান কোনো ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার দ্বারা অনুমোদিত নয়, তাই এর মাধ্যমে
কার্ডের গোপনীয় তথ্য ফাঁস হয়ে জালিয়াতির আশঙ্কা প্রবল হয়। এছাড়া এতে অননুমোদিত
লেনদেনের সম্ভাবনা বাড়ার পাশাপাশি গ্রাহকের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি এবং তথ্য
নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা সামগ্রিক কার্ড ব্যবস্থাপনাকেও সংকটে
ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সকলকে এই ধরনের ‘অননুমোদিত
প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছে কার্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রদানসহ প্লাস্টিক কার্ডকে
মেটাল কার্ডে রূপান্তর করা থেকে সব গ্রাহককে বিরত থাকার অনুরোধ’ জানিয়েছে। যেকোনো
কার্ড সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অনুমোদিত
চ্যানেল ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তাকে
সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিলেও ব্যবহারকারীদের অসতর্কতার ফলে বড় বিপদ ঘটতে পারে। তাই
‘কোনো অবস্থাতেই ওটিপি বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (011) কিংবা কার্ডের কোনো তথ্য কারও
সঙ্গে শেয়ার’ না করার জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক কিছু
পরিলক্ষিত হলে দেরি না করে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য
গ্রাহকদের বিশেষভাবে বলা হয়েছে।











