আবারও পর্দায় ‘হ্যামনেট’ জুটি

আবারও পর্দায় ‘হ্যামনেট’ জুটি

গত বছর ‘হ্যামনেট’ সিনেমায় অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন পল মেসকাল ও জেসি বাকলি। উইলিয়াম শেক্‌সপিয়ারের পুত্রের অকাল মৃত্যু এবং সেই শোকের ছায়ায় কালজয়ী নাটক ‘হ্যামলেট’ রচনার নেপথ্য কাহিনী নিয়ে নির্মিত সেই চলচ্চিত্রে তাঁদের রসায়ন ছিল অনবদ্য। ক্লোয়ে ঝাও পরিচালিত সেই সিনেমাটি ৯৮তম অস্কারে আটটি বিভাগে মনোনয়ন পায় এবং জেসি বাকলি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার

গত বছর ‘হ্যামনেট’ সিনেমায় অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন পল মেসকাল

ও জেসি বাকলি। উইলিয়াম শেক্‌সপিয়ারের পুত্রের অকাল মৃত্যু এবং সেই শোকের ছায়ায়

কালজয়ী নাটক ‘হ্যামলেট’ রচনার নেপথ্য কাহিনী নিয়ে নির্মিত সেই চলচ্চিত্রে তাঁদের

রসায়ন ছিল অনবদ্য। ক্লোয়ে ঝাও পরিচালিত সেই সিনেমাটি ৯৮তম অস্কারে আটটি বিভাগে

মনোনয়ন পায় এবং জেসি বাকলি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জয় করেন। সেই অভাবনীয় সাফল্যের

রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বড় পর্দায় জুটি বাঁধতে চলেছেন এই দুই শক্তিশালী

অভিনয়শিল্পী।

মেসকাল ও বাকলির নতুন এই সিনেমার শিরোনাম রাখা হয়েছে ‘হোল্ড অন টু ইয়োর

অ্যাঞ্জেলেস’। এবার তাঁরা শেক্‌সপিয়ারীয় ট্র্যাজেডির শোকাতুর আবহ থেকে বেরিয়ে পা

রাখছেন সুর আর জাদু বাস্তবতার এক রহস্যময় জগতে। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন প্রখ্যাত

নির্মাতা বেন জেইটলিন, যিনি এর আগে ‘বিস্টস অব দ্য সাউদার্ন ওয়াইল্ড’ চলচ্চিত্রের

জন্য অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে এই বিশেষ সিনেমাটি নির্মাণের

স্বপ্ন লালন করছিলেন পরিচালক জেইটলিন, যা এখন বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে।

সিনেমার পটভূমি সাজানো হয়েছে দক্ষিণ লুইসিয়ানার এক ক্ষয়িষ্ণু ও দুর্গম প্রান্তরকে

কেন্দ্র করে। এখানে পল মেসকালকে দেখা যাবে এক নরকগামী অপরাধীর চরিত্রে এবং জেসি

বাকলি অভিনয় করবেন পথভ্রষ্ট আত্মাদের রক্ষকের ভূমিকায়। গল্পের এক পর্যায়ে দেখা

যাবে, তাঁদের চারপাশের চিরচেনা জলাভূমিগুলো যখন পরিবেশগত বিপর্যয়ে ধীরে ধীরে ধ্বংস

হতে শুরু করে, ঠিক সেই সংকটকালেই এই বিচিত্র দুই চরিত্রের মধ্যে এক গভীর প্রেম গড়ে

ওঠে। পরিচালক একে তাঁর দেখা ‘সবচেয়ে অসম্ভব প্রেমের গল্প’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে দক্ষিণ লুইসিয়ানার সেই নির্দিষ্ট অঞ্চলে সিনেমাটির

দৃশ্যধারণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ভৌগোলিক ও পরিবেশগত কারণে বর্তমানে ওই অঞ্চলের

জনজীবন ও প্রকৃতি মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে। নির্মাতা বেন জেইটলিন জানিয়েছেন, এই

সিনেমার মাধ্যমে তিনি হারিয়ে যেতে বসা লোকজ সংস্কৃতি এবং মাটির মানুষের

জীবনসংগ্রামকে নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলতে চান। মূলত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে

থাকা মানবিক বিপর্যয়গুলোই হবে এই চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য।

বর্তমান বিশ্বের রাজনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিভাজনগুলো এই সিনেমায় প্রতীকীভাবে

উঠে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিচালক জেইটলিন মনে করেন, আধুনিক পৃথিবীতে মানুষের

মধ্যে পারস্পরিক সহানুভূতির চরম অভাব দেখা দিয়েছে। তাই এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি

বিশ্ববাসীকে একে অপরের প্রতি দয়া ও সহমর্মিতা দেখানোর এক বলিষ্ঠ আহ্বান জানাতে চান।

পল মেসকাল ও জেসি বাকলির অভিনয় দক্ষতা এবং জেইটলিনের শৈল্পিক নির্মাণশৈলীর মেলবন্ধন

সিনেমাটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা আশা করছেন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos