লন্ডনের রেইনবো চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ৬ সিনেমা

লন্ডনের রেইনবো চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ৬ সিনেমা

লন্ডনের রেইনবো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২৭তম আসরে বাংলাদেশের ছয়টি চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আগামী ১৭ মে পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক জেনেসি সিনেমা হলে এই উৎসবের জমকালো উদ্বোধন হবে এবং ২৩ মে পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজন চলবে। এবারের আসরে বিশ্বের ১০টি দেশের ২৫টিরও বেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। উৎসবের উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে সুমন ধর

লন্ডনের রেইনবো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২৭তম আসরে বাংলাদেশের ছয়টি চলচ্চিত্র

প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আগামী ১৭ মে পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক জেনেসি

সিনেমা হলে এই উৎসবের জমকালো উদ্বোধন হবে এবং ২৩ মে পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজন

চলবে। এবারের আসরে বিশ্বের ১০টি দেশের ২৫টিরও বেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। উৎসবের

উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে সুমন ধর পরিচালিত বাংলাদেশের সিনেমা

‘আগন্তুক’, যাতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন পূজা চেরী ও শ্যামল মাওলা।

উদ্বোধনী ছবির পাশাপাশি উৎসবে বাংলাদেশের আরও পাঁচটি বৈচিত্র্যময় সিনেমা স্থান

পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সোহেল রানা বয়াতির ‘নয়া মানুষ’, জোবায়দুর রহমানের ‘উড়াল’,

অনন্য প্রতীক চৌধুরীর ‘নয়া নোট’, আকাশ হকের ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’ এবং

জাক মীরের ‘দ্য স্টোরি অব আ রক’। এসব চলচ্চিত্রে আশিষ খন্দকার, রওনক হাসান, মৌসুমী

হামিদ ও নাসিরউদ্দিন খানের মতো জনপ্রিয় ও শক্তিমান অভিনয়শিল্পীদের নিপুণ কাজ

আন্তর্জাতিক দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে।

উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকা ‘নয়া মানুষ’ চলচ্চিত্রটি দ্বিতীয় দিনে অর্থাৎ ১৮

মে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে প্রদর্শিত হবে। আ. মা. ম. হাসানুজ্জামানের

উপন্যাস ‘বেদনার বালুচরে’ অবলম্বনে মাসুম রেজার চিত্রনাট্যে নির্মিত এই ছবিটি মূলত

চরাঞ্চলের মানুষের জীবনসংগ্রাম ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক মানবিক গল্প। পরিচালক

সোহেল রানা বয়াতি এই আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকে অত্যন্ত গর্বের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে

জানান, জীবনের সহজ-সরল আখ্যানগুলোই তাঁর সিনেমার প্রধান শক্তি যা বিশ্ব দর্শকদের

হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।

আন্তর্জাতিক এই মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে বাংলাদেশের একগুচ্ছ সিনেমার উপস্থিতি বিশ্ব

পরিমণ্ডলে দেশীয় চলচ্চিত্রের ক্রমবর্ধমান শৈল্পিক মান ও সক্ষমতারই বহিঃপ্রকাশ।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের অংশগ্রহণ কেবল সাংস্কৃতিক বিনিময়কেই

ত্বরান্বিত করবে না, বরং বিশ্ববাজারে বাংলা সিনেমার নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনাও

উন্মোচন করবে। সপ্তাহব্যাপী এই উৎসবে প্রবাসী বাঙালিদের পাশাপাশি ভিন্ন ভাষাভাষী

দর্শকদের উপস্থিতিতে বাংলা সিনেমা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos