বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ক্যাবের মানববন্ধন

বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ক্যাবের মানববন্ধন

বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে। সংগঠনটি অভিযোগ করেছে যে, অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে বাজারে তেলের সরবরাহ সংকুচিত হয়ে পড়ছে ও মূল্য বেড়েই চলেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই আন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক্যাবের নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, সরকারের

বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে। সংগঠনটি অভিযোগ করেছে যে, অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে বাজারে তেলের সরবরাহ সংকুচিত হয়ে পড়ছে ও মূল্য বেড়েই চলেছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই আন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক্যাবের নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, সরকারের নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৮৫ টাকা এবং বোতলজাত তেলের দাম ১৭০ টাকা হওয়ার কথা থাকলেও ততক্ষণে দেখা যাচ্ছে বোতলজাত তেল ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এর ফলে ভোক্তারা প্রতিটি লিটারে প্রায় ৩০ টাকা অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করছে। একইভাবে, খোলা পাম তেলের দামের পরিবর্তে বাজারে ১৬২ টাকার বদলে ১৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব ঘটনায় তদারকির ঘাটতি ও সিন্ডিকেটের প্রভাব স্পষ্ট বলে সংগঠনটি আক্ষেপ প্রকাশ করে।

ক্যাবের মতে, এই পরিস্থিতি কেবল বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি নয়; এটি ভোক্তার ন্যায্য মূল্যে পণ্য পাওয়ার অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করছে। তারা উল্লেখ করে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরবরাহ কমানো, অতিরিক্ত দামে বিক্রি এবং দুষ্টচক্রের অপতৎপরতাকে সংগঠিত প্রতারণা হিসেবে গণ্য করে, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, “প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি ও মূল্য নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দিলেও বাস্তবে তার কার্যকর প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। বাজারে কঠোর নজরদারির অভাব এবং দায়িত্বশীল পদক্ষেপের অভাবের ফলে এই সিন্ডিকেটগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।”

মানববন্ধনে তারা সরকারের কাছে আরও দাবি জানায়— নির্ধারিত মূল্যে ভোজ্যতেল বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে, ভেজাল ও সিন্ডিকেট চক্রকে চিহ্নিত করে কড়া হাতে শাস্তি প্রদান করতে হবে, নিয়মিত বাজার তদারকি জোরদার করতে হবে, কৃত্রিম সংকট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং নন-ফুড গ্রেড ড্রামে তেল সংরক্ষণ ও বিক্রি বন্ধ করতে হবে। এর মাধ্যমে ভোক্তাদের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের জন্য সবাইকে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos