স্বাধীনতার ৫৫ বছরের পর আবার সেই অপশক্তির উত্থান: মির্জা ফখরুল

স্বাধীনতার ৫৫ বছরের পর আবার সেই অপশক্তির উত্থান: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর আবার সেই অপশক্তি পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যারা এক সময় আমাদের মা-বোন들의 সম্ভ্রমহানি ঘটিয়েছে, পাকিস্তান বাহিনীকে সহযোগিতা করে নির্মম গুণ্ডামি চালিয়েছে, তাদের এই উত্থান বাংলাদেশের জন্য গভীর শঙ্কার বিষয়। আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর আবার সেই অপশক্তি পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যারা এক সময় আমাদের মা-বোন들의 সম্ভ্রমহানি ঘটিয়েছে, পাকিস্তান বাহিনীকে সহযোগিতা করে নির্মম গুণ্ডামি চালিয়েছে, তাদের এই উত্থান বাংলাদেশের জন্য গভীর শঙ্কার বিষয়। আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে সেই অপশক্তিকে পরাস্ত করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করতে হবে। সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য, এর মাধ্যমেই আমরা একটি উন্নত ও সুখী বাংলাদেশ গড়তে পারব।

গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব প্রাথমিক ভাষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা সবাই তারেক রহমানের উপর যথেষ্ট আশাবাদী। তিনি যখনই দেশে এসেছেন, মানুষের মধ্যে এক ধরনের উৎসাহ ও নতুন আশা জাগিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবেই বলেছেন—‘‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’’—অর্থাৎ তার কাছে পরিকল্পনা রয়েছে দেশে পরিবর্তন আনার জন্য।

তিনি আরো জানান, আমাদের নেতা প্রতিশোধের কথা বলেননি, প্রতিহিংসার আহ্বান জানাননি। বরং বলেন, ‘‘আমি একটি পরিকল্পনা নিয়ে এসেছি, যা দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য।’’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জন্য যে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন, তিনি দায়িত্ব নেয়ার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দেশের অবকাঠামো ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের ভিত্তি স্থাপন করতে সক্ষম হন। তারই যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান আজ সেই পথ এগিয়ে নিচ্ছেন।’

তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন আমরা সকল অপশক্তিকে পরাজিত করে, তারেক রহমান সাহেবের হাত শক্তিশালী করি। একসঙ্গে এগিয়ে চলি, অতীত ভুলে গিয়ে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ সুন্দর করে গড়ি। বাংলাদেশ যেন মাথা উঁচু করে বিশ্বের দরবারে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে—এটাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রিয় দেশের জন্য আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর বেদনাদায়ক নির্যাতন ও সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছি। এই সময়ে আমাদের অনেক কিছু হারাতে হয়েছে—আমাদের জীবন, অধিকার, মূল্যবোধ। আমাদের ৬০ লাখেরও বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে, ২০ হাজারের বেশি তরুণ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। ইলিয়াস আলীসহ তিনজন নেতা, ১৭শ নেতাকর্মী গুম হয়ে গেছে। এসবের পরও আমরা আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সাহস আর সংকল্প হারাইনি। দাঁড়িয়েছি, লড়াই করেছি, কঠিন সময়ের সামনে কখনো মাথা নত করিনি। আমাদের এই লড়াই অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ না আমরা বিজয় লাভ করি।’

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos