সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১২৩ বার পেছালো

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১২৩ বার পেছালো

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়ে গেছে। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারিত করেছেন আদালত। এর আগে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ মোট ১২৩ বার পেছানো হয়েছে, যা একটি বিস্ময়কর রেকর্ড। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন মেজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত এই নতুন দিন ধার্য করেন।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়ে গেছে। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারিত করেছেন আদালত। এর আগে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ মোট ১২৩ বার পেছানো হয়েছে, যা একটি বিস্ময়কর রেকর্ড। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন মেজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত এই নতুন দিন ধার্য করেন। সেই দিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্ধারিত ছিল, কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের অতিরিক্ত এসপি মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। ফলে আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

এই মামলার অন্যতম আসামিরা হচ্ছেন— রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে রয়েছেন, অন্যরা কারাগারে রয়েছেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

প্রাথমিকভাবে মামলার তদন্তে যোগ ছিল ওই থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই), তবে চার দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে চাপ তৈরি হলে তদন্তের ভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওপর দেয়া হয়। দুটি মাসের বেশি সময় তদন্তে তারা রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব র‍্যাবের ওপর দেওয়া হয়।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এই মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর দক্ষ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করেছেন হাইকোর্ট। তাদের ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্নের নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে, র‍্যাবের কাছ থেকে তদন্তের দায়িত্ব সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। এরপর, হাইকোর্টের নির্দেশে ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ থেকে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।arki শিেয়ারধস্ব্র

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos