আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাহিনীটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। সোমবার সকালে গাজীপুরের সফিপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মহাপরিচালক জানান, দেশের প্রতিটি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাহিনীটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। সোমবার সকালে গাজীপুরের সফিপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মহাপরিচালক জানান, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত আনসার বাহিনীর কঠোর নজরদারি চলমান রয়েছে। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা প্রশাসনের অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে নির্বাচনী ডিউটির জন্য আনসার সদস্যদের উন্নত এবং দক্ষ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে, যাতে তারা যেকোনো পরিস্থিতি সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারেন। মাহমুদ বলেন, আনসার বাহিনীর ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দেশ ও জাতির নানা সংকটময় মুহূর্তে এই বাহিনী সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করে এসেছে। মহামারি, ভয়াবহ বন্যা বা অন্যান্য জাতীয় দুর্যোগের সময়েও তারা পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে যখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল, তখন দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও কেপিআই স্থাপনার নিরাপত্তায় আনসার বাহিনী অক্লান্তভাবে ভূমিকা পালন করেছে। দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব সম্পাদনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে তারা। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে মহাপরিচালক জানান, বর্তমান সরকার এই বাহিনীকে উন্নত করতে অত্যন্ত আন্তরিক। আনসার ও ভিডিপির সদস্যদের আরো বেশি দক্ষ ও আধুনিক করে তুলতে দেশের বাইরে এবং ভেতরে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তি এবং নতুন রণকৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে আনসার বাহিনীকে এখনকার আধুনিক যুগের পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতেই মূল লক্ষ্য। এ জন্য সরকারি সহায়তায় বাহিনীর সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর নানা অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্যে ছিল বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে শুভ সূচনার জন্য কেক কাটার তরুণী ও পুরুষ সদস্যদের অংশগ্রহণ। পরে একাধিক গুরুত্বপুর্ণ ও সুসজ্জিত র্যালি একাডেমির ইয়াক আলী প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে বের হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে। অনুষ্ঠানে আনসার বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এই উৎসবমুখর পরিবেশে সদস্যরা নতুন করে দেশের সেবার শপথ গ্রহণ করেন এবং জাতির উদ্দেশ্যে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রেরণা লাভ করেন।











