পূর্বাচলে ভাষণে তারেক রহমান: ‘আমার একটি পরিকল্পনা আছে’

পূর্বাচলে ভাষণে তারেক রহমান: ‘আমার একটি পরিকল্পনা আছে’

দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো জনসভায় বক্তৃতা দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই বিশাল জনসমাবেশে তিনি এক অনন্য ও দূরদর্শী রূপরেখা উপস্থাপন করেন, যা দলের ভবিষ্যত নীতির সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত এই গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ অধিকারকর্মী মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঐতিহাসিক

দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো জনসভায় বক্তৃতা দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই বিশাল জনসমাবেশে তিনি এক অনন্য ও দূরদর্শী রূপরেখা উপস্থাপন করেন, যা দলের ভবিষ্যত নীতির সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত এই গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ অধিকারকর্মী মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন এবং দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেন। উপস্থিত লাখো মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “মার্টিন লুথার কিংয়ের বিখ্যাত উক্তি ছিল, ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ (আমার একটি স্বপ্ন আছে)। আজ আমি আপনাদের বলতে চাই—‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ (আমার একটি পরিকল্পনা আছে)। এই পরিকল্পনা বাংলাদেশের মানুষের জন্য, দেশের উন্নয়নের জন্য, আমার প্রিয় মাতৃভূমির জন্য।” তিনি মনে করিয়ে দেন, ১৯৬৩ সালে ওয়াশিংটনের ঐতিহাসিক মার্কিন পদচারণায় মার্টিন লুথার কিং যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তার অনুরূপ স্বপ্ন নিয়ে তিনি এই পরিকল্পনা করেছেন। বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের উন্নয়ন ও সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তাঁর কাছে একটি স্পষ্ট ও কার্যকর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য দেশের সাধারণ মানুষকে তাঁর পাশে দাঁড়ানো ও সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে। বিশ্বস্ততার সাথে তিনি বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন কখনো সফল হবে না।বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি সামাজিক শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করে দেন, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। তিনি আরও বলেন, একটি নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি বা পেশা নির্বিশেষে সব মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা খুবই জরুরি। তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের শান্তি বজায় রাখতে এবং মানুষের জানমালের সুরক্ষা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার শপথ আদায় করেন। দীর্ঘ দেড় যুগ পর প্রিয় নেতার এমন বুদ্ধিদীপ্ত ও সংকল্পবদ্ধ ভাষণ উপস্থিত জনতাকে অনুপ্রাণিত করেছে, পাশাপাশি ভবিষ্যতের রাজনীতি নিয়ে নতুন দিশার স্বপ্ন দেখিয়েছে। সংবর্ধনা শেষে তারেক রহমান তার অসুস্থ মা, বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন বলে জানা গেছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos